সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী দুই মাসের মধ্যে সিরিয়া থেকে অবশিষ্ট প্রায় এক হাজার সেনা প্রত্যাহার করা হবে বলে সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তা। এর ফলে প্রায় এক দশক ধরে চলমান মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটবে।
এই বছরের শুরুতে দক্ষিণ সিরিয়ার আল তানফ গ্যারিসন এবং উত্তর-পূর্বে আল শাদ্দাদি ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিরিয়ায় মার্কিন বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলো তৈরি করা হয়েছিল এক যুগ আগে আইসিসের উত্থানের সময়।
২০১৪ সালে আইসিসের উত্থানের পর সিরিয়ায় ২ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন। তাদের সবাইকে শিগগিরই ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে আনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, "আইসিস বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এই গোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আইসিসের যে কোনো হুমকির জবাব দিতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত। সিরিয়ায় যখন আইসিসের উত্থান হয়েছিল, সে সময় এই গোষ্ঠীকে দমনে সিরীয় সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশটিতে সেনা পাঠিয়েছিলাম।"
তিনি আরও বলেন, "এখন পরিস্থিতি পাল্টেছে। সিরিয়ায় একটি স্থিতিশীল সরকার এসেছে, আইসিসের হুমকিও আর তেমন শক্তিশালী নয়। তাই আমরা সেখান থেকে সেনাদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা সেনাদের একটি গ্রুপ ফিরিয়ে এনেছি এবং সংশ্লিষ্ট সেনা ঘাঁটিও সিরিয়ার সরকারকে হস্তান্তর করেছি।"

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী দুই মাসের মধ্যে সিরিয়া থেকে অবশিষ্ট প্রায় এক হাজার সেনা প্রত্যাহার করা হবে বলে সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তা। এর ফলে প্রায় এক দশক ধরে চলমান মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটবে।
এই বছরের শুরুতে দক্ষিণ সিরিয়ার আল তানফ গ্যারিসন এবং উত্তর-পূর্বে আল শাদ্দাদি ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিরিয়ায় মার্কিন বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলো তৈরি করা হয়েছিল এক যুগ আগে আইসিসের উত্থানের সময়।
২০১৪ সালে আইসিসের উত্থানের পর সিরিয়ায় ২ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন। তাদের সবাইকে শিগগিরই ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে আনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, "আইসিস বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এই গোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আইসিসের যে কোনো হুমকির জবাব দিতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত। সিরিয়ায় যখন আইসিসের উত্থান হয়েছিল, সে সময় এই গোষ্ঠীকে দমনে সিরীয় সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশটিতে সেনা পাঠিয়েছিলাম।"
তিনি আরও বলেন, "এখন পরিস্থিতি পাল্টেছে। সিরিয়ায় একটি স্থিতিশীল সরকার এসেছে, আইসিসের হুমকিও আর তেমন শক্তিশালী নয়। তাই আমরা সেখান থেকে সেনাদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা সেনাদের একটি গ্রুপ ফিরিয়ে এনেছি এবং সংশ্লিষ্ট সেনা ঘাঁটিও সিরিয়ার সরকারকে হস্তান্তর করেছি।"

আপনার মতামত লিখুন