ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে জার্মান রাষ্ট্রদূত অ্যাক্সেল ডিটমানকে তলব করে ইরান সরকারের আপত্তির কথা জানানো হয়েছে। বৈঠকটি ঠিক কখন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এ বিষয়ে জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তরও প্রাথমিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
কূটনৈতিক সূত্র ও পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ইরানের এই প্রতিক্রিয়ার পেছনে গত শনিবার জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত ইরানবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ওই সমাবেশে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ অংশ নেন বলে জানা গেছে।
সমাবেশটির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন জার্মানির ফ্রি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এফডিপি) রাজনীতিবিদ মারি-আগনেস স্ট্রাক-জিমারমান এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক আইনপ্রণেতা আরমিন লাশেটসহ একাধিক জার্মান রাজনীতিবিদ। মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সময় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি আহ্বান করেছিলেন ইরানের সাবেক শাসক রেজা শাহ পাহলভির সন্তান ও বর্তমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ রেজা পাহলভি।
চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে ইরানজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে দেশটির রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী তা দমনে কঠোর অভিযান চালায়। অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক এইচআএএনএ-র তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় সহিংস দমন-পীড়নে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান ও জার্মানির মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে জার্মান রাষ্ট্রদূত অ্যাক্সেল ডিটমানকে তলব করে ইরান সরকারের আপত্তির কথা জানানো হয়েছে। বৈঠকটি ঠিক কখন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এ বিষয়ে জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তরও প্রাথমিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
কূটনৈতিক সূত্র ও পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ইরানের এই প্রতিক্রিয়ার পেছনে গত শনিবার জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত ইরানবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ওই সমাবেশে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ অংশ নেন বলে জানা গেছে।
সমাবেশটির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন জার্মানির ফ্রি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এফডিপি) রাজনীতিবিদ মারি-আগনেস স্ট্রাক-জিমারমান এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক আইনপ্রণেতা আরমিন লাশেটসহ একাধিক জার্মান রাজনীতিবিদ। মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সময় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি আহ্বান করেছিলেন ইরানের সাবেক শাসক রেজা শাহ পাহলভির সন্তান ও বর্তমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ রেজা পাহলভি।
চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে ইরানজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে দেশটির রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী তা দমনে কঠোর অভিযান চালায়। অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক এইচআএএনএ-র তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় সহিংস দমন-পীড়নে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান ও জার্মানির মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন