ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রোজার সময় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রোজার সময় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে

রমজান মাসে রোজা রাখার সময় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘ সময় পানি ও খাবার বর্জনের কারণে দেহে শক্তি ও হাইড্রেশন ধরে রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সেহরি হলো দিনের শক্তির মূল ভিত্তি। এই খাবারে জটিল শর্করা যেমন ওটস ও ব্রাউন রাইস রাখা উচিত, যা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। প্রোটিন হিসেবে দুধ, ডিম, মাছ বা চিকেন এবং ডাল অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। এছাড়া কলা, আপেল ও শাকসবজি ফাইবারের উৎস হিসেবে হজম সহজ রাখে এবং দীর্ঘ সময় তৃপ্তি বজায় রাখে। স্বাস্থ্যকর চর্বি যেমন বাদাম, বীজ ও অলিভ অয়েল শক্তি ধরে রাখতে সহায়ক। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশি চা-কফি, অতিরিক্ত লবণ বা ফাস্ট ফুড এড়ানো উচিত।

ইফতারে রোজা ভাঙার সময় ধাপে ধাপে খাবার নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্রথমে পানি ও খেজুর খাওয়া উচিত, এরপর হালকা খাবার যেমন স্যুপ বা সালাদ। মূল খাবার পরিমিত পরিমাণে খেলে হজম সহজ হয়। ভারী ভাজাভুজি বা মিষ্টি পানীয় এড়াতে বলা হয়েছে। গ্রিল বা বেক করা মাছ, ডাল ও সবজি ইফতারে উপকারী।

পানি ও হাইড্রেশনের বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ইফতার ও সেহরির সময় পর্যাপ্ত পানি ধীরে ধীরে পান করা উচিত। শসা, তরমুজ, লেবু-পানি এবং নারকেল পানি হাইড্রেশন বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে বেশি চা বা কফি ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, বেশি খাওয়ার চেয়ে পরিমাণে সুষম ও ব্যালান্সড খাবার গ্রহণ করা উচিত। ধীরে খেলে হজম ভালো থাকে এবং পেটে অস্বস্তি কম হয়। ভারী ব্যায়াম না করে হালকা হাঁটা বা প্রাতঃস্মার্ক কার্যক্রম করলে শরীর সুস্থ থাকে। পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম ক্লান্তি কমাতে সহায়ক।

রোজার সময় সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে শরীরে শক্তি ধরে থাকে, হজম সহজ হয় এবং হাইড্রেশন নিশ্চিত হয়। পুষ্টিকর সেহরি, হালকা ও পরিমিত ইফতার এবং পর্যাপ্ত পানি-হাইড্রেশন মেনে চললে রোজা আরও সুস্থ ও ফলপ্রসূ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


রোজার সময় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রমজান মাসে রোজা রাখার সময় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘ সময় পানি ও খাবার বর্জনের কারণে দেহে শক্তি ও হাইড্রেশন ধরে রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সেহরি হলো দিনের শক্তির মূল ভিত্তি। এই খাবারে জটিল শর্করা যেমন ওটস ও ব্রাউন রাইস রাখা উচিত, যা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। প্রোটিন হিসেবে দুধ, ডিম, মাছ বা চিকেন এবং ডাল অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। এছাড়া কলা, আপেল ও শাকসবজি ফাইবারের উৎস হিসেবে হজম সহজ রাখে এবং দীর্ঘ সময় তৃপ্তি বজায় রাখে। স্বাস্থ্যকর চর্বি যেমন বাদাম, বীজ ও অলিভ অয়েল শক্তি ধরে রাখতে সহায়ক। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশি চা-কফি, অতিরিক্ত লবণ বা ফাস্ট ফুড এড়ানো উচিত।

ইফতারে রোজা ভাঙার সময় ধাপে ধাপে খাবার নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্রথমে পানি ও খেজুর খাওয়া উচিত, এরপর হালকা খাবার যেমন স্যুপ বা সালাদ। মূল খাবার পরিমিত পরিমাণে খেলে হজম সহজ হয়। ভারী ভাজাভুজি বা মিষ্টি পানীয় এড়াতে বলা হয়েছে। গ্রিল বা বেক করা মাছ, ডাল ও সবজি ইফতারে উপকারী।

পানি ও হাইড্রেশনের বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ইফতার ও সেহরির সময় পর্যাপ্ত পানি ধীরে ধীরে পান করা উচিত। শসা, তরমুজ, লেবু-পানি এবং নারকেল পানি হাইড্রেশন বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে বেশি চা বা কফি ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, বেশি খাওয়ার চেয়ে পরিমাণে সুষম ও ব্যালান্সড খাবার গ্রহণ করা উচিত। ধীরে খেলে হজম ভালো থাকে এবং পেটে অস্বস্তি কম হয়। ভারী ব্যায়াম না করে হালকা হাঁটা বা প্রাতঃস্মার্ক কার্যক্রম করলে শরীর সুস্থ থাকে। পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম ক্লান্তি কমাতে সহায়ক।

রোজার সময় সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে শরীরে শক্তি ধরে থাকে, হজম সহজ হয় এবং হাইড্রেশন নিশ্চিত হয়। পুষ্টিকর সেহরি, হালকা ও পরিমিত ইফতার এবং পর্যাপ্ত পানি-হাইড্রেশন মেনে চললে রোজা আরও সুস্থ ও ফলপ্রসূ হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ