ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় ‘দারুণ অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ এড়ানোর লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ। আলোচনার পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে আরাগচি বলেন, দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আলোচনার ‘নির্দেশিকা নীতি’ নিয়ে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে, যার ভিত্তিতে সম্ভাব্য চুক্তির দিকে এগোনো হবে।
তিনি আরও বলেন, চলতি মাসের শুরুতে ওমানে অনুষ্ঠিত প্রথম দফা আলোচনার তুলনায় এবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং সামনে একটি ইতিবাচক ও স্পষ্ট পথ রয়েছে। আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করবে এবং খসড়া বিনিময়ের পর তৃতীয় দফা আলোচনার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও সতর্ক। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করেছেন, যা ইরান এখনো মেনে নিতে রাজি নয়।
চলমান এই আলোচনা আন্তর্জাতিক মহলে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, কারণ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় ‘দারুণ অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ এড়ানোর লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ। আলোচনার পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে আরাগচি বলেন, দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আলোচনার ‘নির্দেশিকা নীতি’ নিয়ে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে, যার ভিত্তিতে সম্ভাব্য চুক্তির দিকে এগোনো হবে।
তিনি আরও বলেন, চলতি মাসের শুরুতে ওমানে অনুষ্ঠিত প্রথম দফা আলোচনার তুলনায় এবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং সামনে একটি ইতিবাচক ও স্পষ্ট পথ রয়েছে। আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করবে এবং খসড়া বিনিময়ের পর তৃতীয় দফা আলোচনার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও সতর্ক। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করেছেন, যা ইরান এখনো মেনে নিতে রাজি নয়।
চলমান এই আলোচনা আন্তর্জাতিক মহলে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, কারণ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

আপনার মতামত লিখুন