পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে শায়খ আল-আব্বাসিকে আটক করে ইসরায়েলি পুলিশ। তবে তার আটকের নির্দিষ্ট কোনো কারণ ইসরায়েলি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি।
এ ঘটনায় পুরোনো শহর এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদক্ষেপ আরও কঠোর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এসব পদক্ষেপের মধ্যে ইমাম ও খতিবদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, মুসল্লিদের প্রবেশ সীমিত করা এবং বসতি স্থাপনকারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আটকের কয়েক ঘণ্টা আগে শায়খ আল-আব্বাসিকে এক সপ্তাহের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ নবায়ন করা হতে পারে। তবে শায়খ আল-আব্বাসি বলেন, তাকে নিষেধাজ্ঞার কারণ জানানো হয়নি। গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছর চিকিৎসা শেষে দায়িত্বে ফিরে এমন সিদ্ধান্তে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছেন বলেও জানান।
রমজান মাস শুরুর ঠিক আগে এ ধরনের পদক্ষেপে মুসলিমদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ একরিমা সাবরি অভিযোগ করেন, রমজান মাসে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করছে ইসরায়েলের নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এদিকে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, শায়খ আল-আব্বাসিকে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ঘটনাকে তারা আল-আকসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। সংগঠনটি আরও অভিযোগ করে, রমজানকে সামনে রেখে মসজিদে লজিস্টিক প্রস্তুতিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদিও এ বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে শায়খ আল-আব্বাসিকে আটক করে ইসরায়েলি পুলিশ। তবে তার আটকের নির্দিষ্ট কোনো কারণ ইসরায়েলি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি।
এ ঘটনায় পুরোনো শহর এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদক্ষেপ আরও কঠোর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এসব পদক্ষেপের মধ্যে ইমাম ও খতিবদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, মুসল্লিদের প্রবেশ সীমিত করা এবং বসতি স্থাপনকারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আটকের কয়েক ঘণ্টা আগে শায়খ আল-আব্বাসিকে এক সপ্তাহের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ নবায়ন করা হতে পারে। তবে শায়খ আল-আব্বাসি বলেন, তাকে নিষেধাজ্ঞার কারণ জানানো হয়নি। গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছর চিকিৎসা শেষে দায়িত্বে ফিরে এমন সিদ্ধান্তে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছেন বলেও জানান।
রমজান মাস শুরুর ঠিক আগে এ ধরনের পদক্ষেপে মুসলিমদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ একরিমা সাবরি অভিযোগ করেন, রমজান মাসে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করছে ইসরায়েলের নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এদিকে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, শায়খ আল-আব্বাসিকে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ঘটনাকে তারা আল-আকসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। সংগঠনটি আরও অভিযোগ করে, রমজানকে সামনে রেখে মসজিদে লজিস্টিক প্রস্তুতিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদিও এ বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন