চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলা-এর ৩ নং দক্ষিণাঙ্গ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কৃতি সন্তান মরহুম ছাইয়্যেদ মোঃ আনোয়ার হোসাইন ভুইয়ার ছেলে মোঃ শাহজাহান ভূঁইয়া বর্তমানে ঢাকার রূপনগর এলাকায় একজন প্রতিষ্ঠিত ও স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
১৯৪৭ সালে জীবিকার তাগিদে নিজ এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি দেওয়া শাহজাহান ভূঁইয়ার শুরুটা ছিল সংগ্রামমুখর। সীমিত সামর্থ্য ও নতুন পরিবেশে টিকে থাকা সহজ ছিল না। তবে দৃঢ় মনোবল, অধ্যবসায় ও সততা পুঁজি করে তিনি ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন। আজ তিনি একজন স্বাবলম্বী ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সমাজে সুপরিচিত।
শাহজাহান ভূঁইয়া বলেন, “আমি সবসময় আমার জন্মভূমি হাইমচরের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখি। ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে সবসময় এলাকায় যেতে না পারলেও ঈদ, কোরবানি ও বিশেষ মুহূর্তগুলোতে এলাকায় আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত মানুষদের খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি। আল্লাহর রহমতে আমার শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট আছে।”
তিনি আরও জানান, “নিজ এলাকা বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এর আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে চলছি। বর্তমানে ঢাকার রূপনগর এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত।”
শাহজাহান ভূঁইয়া তার সফলতার পেছনে বাবা-মায়ের দোয়া, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং মুশিদ বজলু বাসের আনজু ও বিজিএম-এর সভাপতি মাহমুদুল হাসান খান বাবু-এর অবদানকে বিশেষভাবে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “তাদের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা আমার পথচলাকে আরও দৃঢ় করেছে। সততা, কঠোর পরিশ্রম ও ইতিবাচক মানসিকতাই আমার সফলতার মূল চাবিকাঠি। তরুণ প্রজন্ম যদি লক্ষ্য স্থির রেখে অধ্যবসায়ের সঙ্গে এগিয়ে যায়, তবে যে কেউ নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম।”
জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে শাহজাহান ভূঁইয়া ভবিষ্যতে হাইমচরের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলা-এর ৩ নং দক্ষিণাঙ্গ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কৃতি সন্তান মরহুম ছাইয়্যেদ মোঃ আনোয়ার হোসাইন ভুইয়ার ছেলে মোঃ শাহজাহান ভূঁইয়া বর্তমানে ঢাকার রূপনগর এলাকায় একজন প্রতিষ্ঠিত ও স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
১৯৪৭ সালে জীবিকার তাগিদে নিজ এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি দেওয়া শাহজাহান ভূঁইয়ার শুরুটা ছিল সংগ্রামমুখর। সীমিত সামর্থ্য ও নতুন পরিবেশে টিকে থাকা সহজ ছিল না। তবে দৃঢ় মনোবল, অধ্যবসায় ও সততা পুঁজি করে তিনি ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন। আজ তিনি একজন স্বাবলম্বী ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সমাজে সুপরিচিত।
শাহজাহান ভূঁইয়া বলেন, “আমি সবসময় আমার জন্মভূমি হাইমচরের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখি। ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে সবসময় এলাকায় যেতে না পারলেও ঈদ, কোরবানি ও বিশেষ মুহূর্তগুলোতে এলাকায় আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত মানুষদের খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি। আল্লাহর রহমতে আমার শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট আছে।”
তিনি আরও জানান, “নিজ এলাকা বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এর আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে চলছি। বর্তমানে ঢাকার রূপনগর এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত।”
শাহজাহান ভূঁইয়া তার সফলতার পেছনে বাবা-মায়ের দোয়া, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং মুশিদ বজলু বাসের আনজু ও বিজিএম-এর সভাপতি মাহমুদুল হাসান খান বাবু-এর অবদানকে বিশেষভাবে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “তাদের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা আমার পথচলাকে আরও দৃঢ় করেছে। সততা, কঠোর পরিশ্রম ও ইতিবাচক মানসিকতাই আমার সফলতার মূল চাবিকাঠি। তরুণ প্রজন্ম যদি লক্ষ্য স্থির রেখে অধ্যবসায়ের সঙ্গে এগিয়ে যায়, তবে যে কেউ নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম।”
জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে শাহজাহান ভূঁইয়া ভবিষ্যতে হাইমচরের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন