লক্ষ্মীপুরের ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড রামগতি রোড সুতার গোপ্টা, পশ্চিম চর মনসা রাস্তার পূর্ব পাশে প্রকাশ্যে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ সেতু নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের শাহ আলম মাঝি বাড়ি রাস্তার পাশে সরকারি খালটি এলাকাবাসীর পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম সেই খালটি দখল করে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রিয়াজ নামের এক ব্যক্তি কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন, নকশা বা পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই খালের ওপর সেতু নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্মাণকাজ চলাকালীন সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় এলাকাজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে রিয়াজ দাবি করেন, সেতুটি তাঁর নিজস্ব জায়গার ওপর নির্মাণ করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই দাবিকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তি মূলক বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তার পাশের খাল সরকারি খতিয়ানভুক্ত এবং বহু বছর ধরে এটি উন্মুক্ত জলপ্রবাহ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবৈধ সেতু নির্মাণের ফলে খালের স্বাভাবিক পানি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ঘরবাড়ি ও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। পরিবেশ ও জলাধার রক্ষা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, “সরকারি খাল দখল বা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ আইনবিরোধী। অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাস বলেন, খাল বা জলাশয় দখল গুরুতর অপরাধ। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড রামগতি রোড সুতার গোপ্টা, পশ্চিম চর মনসা রাস্তার পূর্ব পাশে প্রকাশ্যে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ সেতু নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের শাহ আলম মাঝি বাড়ি রাস্তার পাশে সরকারি খালটি এলাকাবাসীর পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম সেই খালটি দখল করে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রিয়াজ নামের এক ব্যক্তি কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন, নকশা বা পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই খালের ওপর সেতু নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্মাণকাজ চলাকালীন সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় এলাকাজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে রিয়াজ দাবি করেন, সেতুটি তাঁর নিজস্ব জায়গার ওপর নির্মাণ করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই দাবিকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তি মূলক বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তার পাশের খাল সরকারি খতিয়ানভুক্ত এবং বহু বছর ধরে এটি উন্মুক্ত জলপ্রবাহ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবৈধ সেতু নির্মাণের ফলে খালের স্বাভাবিক পানি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ঘরবাড়ি ও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। পরিবেশ ও জলাধার রক্ষা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, “সরকারি খাল দখল বা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ আইনবিরোধী। অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভি দাস বলেন, খাল বা জলাশয় দখল গুরুতর অপরাধ। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন