ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রোববার) — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর রাজনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাতের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সূচি অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসায় যাবেন তারেক রহমান। এরপর রাত ৮টার দিকে তিনি রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেবেন।
বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক ধারার সূচনা হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে এই সৌজন্য সাক্ষাতগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দুই নেতার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করা হয়েছে এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই সাক্ষাৎকে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রোববার) — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর রাজনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাতের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সূচি অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসায় যাবেন তারেক রহমান। এরপর রাত ৮টার দিকে তিনি রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেবেন।
বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক ধারার সূচনা হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে এই সৌজন্য সাক্ষাতগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দুই নেতার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করা হয়েছে এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই সাক্ষাৎকে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন