খাইরপুর, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রোববার) — পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের খাইরপুর জেলার টান্ডো মাস্তি এলাকায় জাতীয় মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে যাত্রীবাহী একটি কোচের সঙ্গে ভারী কংক্রিট গার্ডার বহনকারী ট্রেইলারের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
উদ্ধারকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৯ জন যাত্রী, বাসচালক এবং কন্ডাক্টর রয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পাঞ্জাব থেকে করাচির উদ্দেশে যাত্রা করছিল। ইধি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ খাইরপুর সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর সিন্ধ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খাইরপুর জেলার সিনিয়র পুলিশ সুপারকে (এসএসপি) দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা তদারকির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আশপাশের এলাকায় জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে সড়কপথ সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এম-৯ মোটরওয়েতে কাঠোরের কাছে তেলবাহী ট্যাংকার, একটি বাস ও আরও কয়েকটি যানবাহনের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুও নিহতদের মধ্যে ছিলেন বলে উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় কয়েকজন যাত্রী সেতু থেকে নিচে পড়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, এম-৯ মোটরওয়ের ওই দুর্ঘটনায় জড়িত কোচটি ঘটনার সময় সড়কের উল্টো পাশে চলছিল। এ ঘটনায় গাদাপ থানায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড, বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোসহ সংশ্লিষ্ট আইনি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এফআইআর অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে একটি তেলবাহী ট্যাংকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রেইলার ও অন্য একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। প্রাথমিক সংঘর্ষের পর উল্টো দিক থেকে আসা বাস ও আরেকটি যানবাহন উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই ট্যাংকারচালক নিহত হন এবং অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের মধ্যেও প্রাণহানি ঘটে।
পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
খাইরপুর, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রোববার) — পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের খাইরপুর জেলার টান্ডো মাস্তি এলাকায় জাতীয় মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে যাত্রীবাহী একটি কোচের সঙ্গে ভারী কংক্রিট গার্ডার বহনকারী ট্রেইলারের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
উদ্ধারকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৯ জন যাত্রী, বাসচালক এবং কন্ডাক্টর রয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পাঞ্জাব থেকে করাচির উদ্দেশে যাত্রা করছিল। ইধি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ খাইরপুর সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর সিন্ধ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খাইরপুর জেলার সিনিয়র পুলিশ সুপারকে (এসএসপি) দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা তদারকির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আশপাশের এলাকায় জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে সড়কপথ সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এম-৯ মোটরওয়েতে কাঠোরের কাছে তেলবাহী ট্যাংকার, একটি বাস ও আরও কয়েকটি যানবাহনের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুও নিহতদের মধ্যে ছিলেন বলে উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় কয়েকজন যাত্রী সেতু থেকে নিচে পড়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, এম-৯ মোটরওয়ের ওই দুর্ঘটনায় জড়িত কোচটি ঘটনার সময় সড়কের উল্টো পাশে চলছিল। এ ঘটনায় গাদাপ থানায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড, বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোসহ সংশ্লিষ্ট আইনি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এফআইআর অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে একটি তেলবাহী ট্যাংকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রেইলার ও অন্য একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। প্রাথমিক সংঘর্ষের পর উল্টো দিক থেকে আসা বাস ও আরেকটি যানবাহন উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই ট্যাংকারচালক নিহত হন এবং অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের মধ্যেও প্রাণহানি ঘটে।
পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন