বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার চান্দার পাড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে এক নির্মাণ শ্রমিক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাপ্পু নামে এক ব্যক্তি (পিতা: রঞ্জু আকন্দ) পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক। পারিবারিক অশান্তি ও আর্থিক চাপের কারণে তার দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীর অতিরিক্ত বিলাসদ্রব্যের চাহিদা পূরণ করতে না পারায় প্রায়ই তাদের মধ্যে কলহ সৃষ্টি হতো। এসব বিষয় নিয়ে নিয়মিত ঝগড়া-বিবাদের একপর্যায়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, তার স্ত্রীর বাবার বাড়ি জিঞ্জিরা তলা গ্রামে। স্ত্রীর নাম টপি। তার পিতা গোলাই, যিনি একজন ভ্রাম্যমাণ ভাঙারি ব্যবসায়ী। পারিবারিক বিরোধের কারণে টপি প্রায়ই বাবার বাড়িতে চলে যেতেন এবং ফিরিয়ে আনতে গেলে বিভিন্ন সময়ে অনীহা প্রকাশ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে দাম্পত্য কলহ তীব্র আকার ধারণ করলে একপর্যায়ে পাপ্পু জমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার চান্দার পাড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে এক নির্মাণ শ্রমিক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাপ্পু নামে এক ব্যক্তি (পিতা: রঞ্জু আকন্দ) পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক। পারিবারিক অশান্তি ও আর্থিক চাপের কারণে তার দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীর অতিরিক্ত বিলাসদ্রব্যের চাহিদা পূরণ করতে না পারায় প্রায়ই তাদের মধ্যে কলহ সৃষ্টি হতো। এসব বিষয় নিয়ে নিয়মিত ঝগড়া-বিবাদের একপর্যায়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, তার স্ত্রীর বাবার বাড়ি জিঞ্জিরা তলা গ্রামে। স্ত্রীর নাম টপি। তার পিতা গোলাই, যিনি একজন ভ্রাম্যমাণ ভাঙারি ব্যবসায়ী। পারিবারিক বিরোধের কারণে টপি প্রায়ই বাবার বাড়িতে চলে যেতেন এবং ফিরিয়ে আনতে গেলে বিভিন্ন সময়ে অনীহা প্রকাশ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে দাম্পত্য কলহ তীব্র আকার ধারণ করলে একপর্যায়ে পাপ্পু জমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন