ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের গুজব অসত্য

জামায়াত আগেভাগে ভোট দিচ্ছে দাবি ভিত্তিহীন


বিশেষ প্রতিনিধি :
বিশেষ প্রতিনিধি :
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জামায়াত আগেভাগে ভোট দিচ্ছে দাবি ভিত্তিহীন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধনকুণ্ডা স্কুল নির্বাচনী কেন্দ্রে জামায়াত আগেভাগে ভোট দিচ্ছে—এ ধরনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের আওতাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বক্স ও ব্যালট পেপার প্রস্তুত-জনিত অভিযোগ প্রিজাইডিং অফিসার মো. বশিরুল হক ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে তোলা হয়। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন্দ্র প্রবেশ করে অভিযোগ তুলে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং এই ঘটনা ভিডিওর মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

তবে সিদ্ধিরগঞ্জের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী রিটার্নিং অফিসার শাহিনা ইসলাম চৌধুরী জানান, ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা মূলত নির্বাচনী কাগজপত্র গোছানোর কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। বশিরুল হকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং তিনি প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদ অনুসন্ধানে জানা গেছে, “সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুণ্ডা পপুলার হাইস্কুলের ভোটকেন্দ্র-২–এ ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপার খোলা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জামায়াতে ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।”

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সহকারী রিটার্নিং অফিসার শাহিনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনের আগে যেসব কাজ করতে হয়, তারা সেগুলো করছিল। ভোটার তালিকা অনুযায়ী ব্যালট পরীক্ষা করা হচ্ছিল। বাইরের কেউ কেন্দ্রের ভিতরে ছিলেন না এবং কোনো দলীয় আলোচনা হয়নি। বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই করেছি।”

প্রিজাইডিং অফিসারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাকে নিয়োগ দিয়েছি। তিনি একজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি অনৈতিক কোনো কাজও করেননি। ভোটার তালিকা ও ব্যালট পেপার সবকিছু আমরা পরীক্ষা করেছি।”

নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “মাওলানা বশির আহমেদ একজন প্রধান শিক্ষক। তিনি ধনকুণ্ডা পপুলার হাইস্কুল কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন। নির্বাচনী সরঞ্জাম বুঝে নেওয়া এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবে কাজ করছিলেন। বাইরে থেকে প্রচারিত যে সিল মারা হচ্ছে—এটি সম্পূর্ণ গুজব।”

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জামায়াত আগেভাগে ভোট দিচ্ছে দাবি ভিত্তিহীন

প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধনকুণ্ডা স্কুল নির্বাচনী কেন্দ্রে জামায়াত আগেভাগে ভোট দিচ্ছে—এ ধরনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।


নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের আওতাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বক্স ও ব্যালট পেপার প্রস্তুত-জনিত অভিযোগ প্রিজাইডিং অফিসার মো. বশিরুল হক ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে তোলা হয়। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন্দ্র প্রবেশ করে অভিযোগ তুলে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং এই ঘটনা ভিডিওর মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।


তবে সিদ্ধিরগঞ্জের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী রিটার্নিং অফিসার শাহিনা ইসলাম চৌধুরী জানান, ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা মূলত নির্বাচনী কাগজপত্র গোছানোর কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। বশিরুল হকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং তিনি প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।


সংবাদ অনুসন্ধানে জানা গেছে, “সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুণ্ডা পপুলার হাইস্কুলের ভোটকেন্দ্র-২–এ ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপার খোলা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জামায়াতে ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।”


ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সহকারী রিটার্নিং অফিসার শাহিনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনের আগে যেসব কাজ করতে হয়, তারা সেগুলো করছিল। ভোটার তালিকা অনুযায়ী ব্যালট পরীক্ষা করা হচ্ছিল। বাইরের কেউ কেন্দ্রের ভিতরে ছিলেন না এবং কোনো দলীয় আলোচনা হয়নি। বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই করেছি।”


প্রিজাইডিং অফিসারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাকে নিয়োগ দিয়েছি। তিনি একজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি অনৈতিক কোনো কাজও করেননি। ভোটার তালিকা ও ব্যালট পেপার সবকিছু আমরা পরীক্ষা করেছি।”


নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “মাওলানা বশির আহমেদ একজন প্রধান শিক্ষক। তিনি ধনকুণ্ডা পপুলার হাইস্কুল কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন। নির্বাচনী সরঞ্জাম বুঝে নেওয়া এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবে কাজ করছিলেন। বাইরে থেকে প্রচারিত যে সিল মারা হচ্ছে—এটি সম্পূর্ণ গুজব।”


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ