বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় এক দলনেতা টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন প্রশিক্ষণবিহীন হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনি দায়িত্ব পেয়েছিলেন। অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতিতে জড়িত যে কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাহিনী। একই সঙ্গে রাজধানীর গুলশান থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী মোসাম্মৎ শাহনাজ সুলতানা এবং ভাটারা থানাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী সামসুন্নাহারকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, হাতিরঝিলের ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর নিবিড় তদারকি চালিয়ে দুর্নীতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হাতিরঝিল থানার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) নেতা মামুন জনপ্রতি ৪০০ টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ তৈরি করে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেন। পরবর্তীতে দায়িত্ব দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১ হাজার ১০০ টাকা হারে উৎকোচ নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ওয়ার্ড দলনেতা মামুন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
বাহিনী আরও জানায়, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি বৈধ সনদ ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা বাধ্যতামূলক। ভুয়া সনদধারী, অযোগ্য বা প্রভাবিত ব্যক্তির মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, এবারের ভোটের মাঠের নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে আনসার সদস্যের সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখের বেশি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় এক দলনেতা টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন প্রশিক্ষণবিহীন হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনি দায়িত্ব পেয়েছিলেন। অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতিতে জড়িত যে কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাহিনী। একই সঙ্গে রাজধানীর গুলশান থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী মোসাম্মৎ শাহনাজ সুলতানা এবং ভাটারা থানাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী সামসুন্নাহারকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, হাতিরঝিলের ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর নিবিড় তদারকি চালিয়ে দুর্নীতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হাতিরঝিল থানার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) নেতা মামুন জনপ্রতি ৪০০ টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ তৈরি করে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেন। পরবর্তীতে দায়িত্ব দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১ হাজার ১০০ টাকা হারে উৎকোচ নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ওয়ার্ড দলনেতা মামুন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
বাহিনী আরও জানায়, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি বৈধ সনদ ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা বাধ্যতামূলক। ভুয়া সনদধারী, অযোগ্য বা প্রভাবিত ব্যক্তির মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, এবারের ভোটের মাঠের নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে আনসার সদস্যের সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখের বেশি।

আপনার মতামত লিখুন