ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ভোটে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে কিছু পক্ষ পেছন দিক থেকে ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। রোববার নির্বাচন কমিশন প্রজ্ঞাপন দিয়েছে, যে ভোটকেন্দ্রের চারশ‘ গজের মধ্যে কেউ মোবাইল ফোন নিতে পারবে না।
সোমবার দুপুরে গুলশান-২ এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানের পক্ষে আয়োজিত গণসংযোগে তিনি বলেন, এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা পেছন দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদের স্বাধীন বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা হবে।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, তরুণ ভোটাররা ন্যায়-ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে আছে। তারা ১১-দলীয় জোটের পক্ষে মত প্রকাশের জন্য উন্মুখ। এই শক্তিকে ভয় পেয়েছে এবং নানা ম্যাকানিজম করছে। তাই তরুণদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
তিনি আশ্বাস দেন, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী খালিদুজ্জামানের হাতে এলাকা নিরাপদ থাকবে। তার নেতৃত্বে জনগণের সম্পদ, মা-বোনদের ইজ্জত ও নিরাপত্তা রক্ষা করা হবে। সাদিক কায়েম বলেন, জনগণ এমন কাউকে নেতা বানাবেন না, যে তাদের পাশে থাকবে না, বরং জনতার কাতারেই থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেভাবে বিজয় হয়েছে, তেমনই ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লার বিজয় হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ভোটে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার দেখে কিছু পক্ষ পেছন দিক থেকে ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। রোববার নির্বাচন কমিশন প্রজ্ঞাপন দিয়েছে, যে ভোটকেন্দ্রের চারশ‘ গজের মধ্যে কেউ মোবাইল ফোন নিতে পারবে না।
সোমবার দুপুরে গুলশান-২ এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানের পক্ষে আয়োজিত গণসংযোগে তিনি বলেন, এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা পেছন দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদের স্বাধীন বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা হবে।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, তরুণ ভোটাররা ন্যায়-ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে আছে। তারা ১১-দলীয় জোটের পক্ষে মত প্রকাশের জন্য উন্মুখ। এই শক্তিকে ভয় পেয়েছে এবং নানা ম্যাকানিজম করছে। তাই তরুণদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
তিনি আশ্বাস দেন, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী খালিদুজ্জামানের হাতে এলাকা নিরাপদ থাকবে। তার নেতৃত্বে জনগণের সম্পদ, মা-বোনদের ইজ্জত ও নিরাপত্তা রক্ষা করা হবে। সাদিক কায়েম বলেন, জনগণ এমন কাউকে নেতা বানাবেন না, যে তাদের পাশে থাকবে না, বরং জনতার কাতারেই থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেভাবে বিজয় হয়েছে, তেমনই ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লার বিজয় হবে।

আপনার মতামত লিখুন