রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া নির্বাচনী ভাষণে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ভবিষ্যতে আলাদা পরিবহন থাকবে না। সবাইকে সাধারণ মানুষের মতো গণপরিবহন ব্যবহার করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ১১-দলীয় জোটের ১৮টি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে মূল লক্ষ্য হবে ইনসাফ ও সংস্কার। ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় সংঘটিত গুম, খুন, নির্যাতন ও ব্যাংক লুটের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৮ বছরের বেশি তরুণ-তরুণীর জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ চালু হবে এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনীতে রূপান্তর করা হবে।
পুলিশ বাহিনীর সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফ্যাসিবাদের কলঙ্ক মুছতে পুলিশ বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে ‘জনসেবক বাহিনী’ করা হবে এবং কেন্দ্রীয় কাঠামো ভেঙে স্থানীয় পর্যায়ে পুনর্গঠন করা হবে।
সংখ্যালঘু ও নারী অধিকার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের উন্নয়ন ও শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। নাহিদ ইসলাম আশ্বস্ত করেন, ভোটাধিকার হরণ করা হবে না এবং সবাইকে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে আহ্বান জানান।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া নির্বাচনী ভাষণে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ভবিষ্যতে আলাদা পরিবহন থাকবে না। সবাইকে সাধারণ মানুষের মতো গণপরিবহন ব্যবহার করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ১১-দলীয় জোটের ১৮টি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে মূল লক্ষ্য হবে ইনসাফ ও সংস্কার। ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় সংঘটিত গুম, খুন, নির্যাতন ও ব্যাংক লুটের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৮ বছরের বেশি তরুণ-তরুণীর জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ চালু হবে এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনীতে রূপান্তর করা হবে।
পুলিশ বাহিনীর সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফ্যাসিবাদের কলঙ্ক মুছতে পুলিশ বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে ‘জনসেবক বাহিনী’ করা হবে এবং কেন্দ্রীয় কাঠামো ভেঙে স্থানীয় পর্যায়ে পুনর্গঠন করা হবে।
সংখ্যালঘু ও নারী অধিকার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের উন্নয়ন ও শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। নাহিদ ইসলাম আশ্বস্ত করেন, ভোটাধিকার হরণ করা হবে না এবং সবাইকে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে আহ্বান জানান।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।

আপনার মতামত লিখুন