ক্ষমতায় গেলে ভূমিদস্যুদের চিরতরে নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টিভাবে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ভূমি দখলের উৎসবে মেতেছে। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা নতুন করে দখলবাজি ও ভূমিদস্যুতায় জড়িয়েছে, তাদের ক্ষমতার মসনদে বসার কোনো অধিকার নেই। এনসিপি ও ১১ দলীয় ঐক্য ক্ষমতায় গেলে এসব ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তাদের রাজত্ব চিরতরে অবসান ঘটানো হবে।
তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন কেবল প্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, বরং দখলদারিত্ব ও আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার সংগ্রাম। তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষ আর কোনো নতুন শোষককে দেখতে চায় না। যারা মানুষের জমি ও সম্পদ গ্রাস করে রাজনীতি করতে চায়, তাদের ১২ ফেব্রুয়ারির ব্যালটের মাধ্যমে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই একটি দখলমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্ষমতায় গেলে ভূমিদস্যুদের চিরতরে নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টিভাবে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ভূমি দখলের উৎসবে মেতেছে। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা নতুন করে দখলবাজি ও ভূমিদস্যুতায় জড়িয়েছে, তাদের ক্ষমতার মসনদে বসার কোনো অধিকার নেই। এনসিপি ও ১১ দলীয় ঐক্য ক্ষমতায় গেলে এসব ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তাদের রাজত্ব চিরতরে অবসান ঘটানো হবে।
তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন কেবল প্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, বরং দখলদারিত্ব ও আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার সংগ্রাম। তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষ আর কোনো নতুন শোষককে দেখতে চায় না। যারা মানুষের জমি ও সম্পদ গ্রাস করে রাজনীতি করতে চায়, তাদের ১২ ফেব্রুয়ারির ব্যালটের মাধ্যমে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই একটি দখলমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন