বগুড়ার ধুনট উপজেলার চান্দারপাড়া এলাকায় মানাস নদীর তীরবর্তী আবাদী জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে স্থানীয় এক নারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগকারী মোছাঃ ফৌজিয়া হক বীথি (পিতা: মোঃ মোজাম্মেল হক) অভিযোগে জানান, একই গ্রামের মৃত হাফিজারের ছেলে ও মাটি ব্যবসায়ী ঠান্ডু (আনুমানিক বয়স ৬০) রাতের আঁধারে তার বাবার মালিকানাধীন আবাদী জমি থেকে প্রায় তিন ফুট গভীর করে অবৈধভাবে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে জমিটি বর্তমানে কৃষিকাজের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ধরনের সরকারি অনুমতি ছাড়াই তার বাবার তিনটি জমির ভেতর দিয়ে একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এই পথ নির্মাণের ফলে জমির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়েছে এবং আবাদী জমির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু ওই পরিবারের জমিই নয়, চান্দারপাড়া এলাকায় আরও একাধিক কৃষকের আবাদী জমি থেকে একইভাবে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, যার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের বেলা মাটি কাটার কাজ চালানো হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, মাটি কাটার কারণে জমি নিচু হয়ে গেছে এবং সেখানে পানি জমে থাকছে, ফলে ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে ভবিষ্যতে আরও জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় কৃষকেরা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলো পুনরায় আবাদযোগ্য করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার ধুনট উপজেলার চান্দারপাড়া এলাকায় মানাস নদীর তীরবর্তী আবাদী জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে স্থানীয় এক নারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগকারী মোছাঃ ফৌজিয়া হক বীথি (পিতা: মোঃ মোজাম্মেল হক) অভিযোগে জানান, একই গ্রামের মৃত হাফিজারের ছেলে ও মাটি ব্যবসায়ী ঠান্ডু (আনুমানিক বয়স ৬০) রাতের আঁধারে তার বাবার মালিকানাধীন আবাদী জমি থেকে প্রায় তিন ফুট গভীর করে অবৈধভাবে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে জমিটি বর্তমানে কৃষিকাজের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ধরনের সরকারি অনুমতি ছাড়াই তার বাবার তিনটি জমির ভেতর দিয়ে একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এই পথ নির্মাণের ফলে জমির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়েছে এবং আবাদী জমির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু ওই পরিবারের জমিই নয়, চান্দারপাড়া এলাকায় আরও একাধিক কৃষকের আবাদী জমি থেকে একইভাবে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, যার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের বেলা মাটি কাটার কাজ চালানো হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, মাটি কাটার কারণে জমি নিচু হয়ে গেছে এবং সেখানে পানি জমে থাকছে, ফলে ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে ভবিষ্যতে আরও জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় কৃষকেরা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলো পুনরায় আবাদযোগ্য করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন