নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন ও হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, আন্দোলনকারীরা যমুনা অভিমুখে মিছিল নিয়ে এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পরিদর্শক, একজন সার্জেন্ট ও একাধিক কনস্টেবল। বেশির ভাগেরই হাত, পা ও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, একজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে।
ডিএমপির পাঠানো তালিকা অনুযায়ী, আহত পুলিশ সদস্যরা সিটিটিসি, পিওএম (পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ), শাহবাগ থানাসহ বিভিন্ন ইউনিটের। এ ছাড়া রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে হাতে ব্যান্ডেজ অবস্থায় দেখা গেছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, যমুনা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করতে গিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও শুক্রবার বিভিন্ন দাবি নিয়ে একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুরো ঘটনায় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন ও হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, আন্দোলনকারীরা যমুনা অভিমুখে মিছিল নিয়ে এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পরিদর্শক, একজন সার্জেন্ট ও একাধিক কনস্টেবল। বেশির ভাগেরই হাত, পা ও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, একজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে।
ডিএমপির পাঠানো তালিকা অনুযায়ী, আহত পুলিশ সদস্যরা সিটিটিসি, পিওএম (পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ), শাহবাগ থানাসহ বিভিন্ন ইউনিটের। এ ছাড়া রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে হাতে ব্যান্ডেজ অবস্থায় দেখা গেছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, যমুনা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করতে গিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও শুক্রবার বিভিন্ন দাবি নিয়ে একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুরো ঘটনায় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন