বরিশাল জেলার গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার গণঅধিকার পরিষদের জেলা ও উপজেলা শাখার প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার সরিকল তালিমুল কুরআন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের সমর্থনে আয়োজিত ওই সভায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা প্রার্থীর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তাদের যোগদানের ঘোষণা দেন।
নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, গৌরনদী উপজেলা জামায়াতে ইসলীর আমির মাওলানা মো. আল-আমীন এবং সেক্রেটারি বায়জিদ শরীফ।
সভায় যোগদানকারীদের নেতৃত্ব দেন গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা শাখার সহ-সভাপতি ওয়াসিম খান, নুরুল ইসলাম সেরনিয়াবাত, শহিদুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, গৌরনদী উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, আগৈলঝাড়া উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ খান, যুব অধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সভাপতি সাইদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক উজ্জ্বল খান এবং যুব অধিকার পরিষদের নেতা সফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
জামায়াতে ইসলীতে যোগদান শেষে বক্তব্যে সদ্য সাবেক গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন বলেন, বাংলাদেশে একটি পরিবর্তনের রাজনীতির প্রত্যাশায় তারা দীর্ঘদিন ধরে গণঅধিকার পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির পর তারা উপলব্ধি করেন যে তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যেসব রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে লুটপাট, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে, সেই শক্তির সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সংশ্লিষ্টতা তাদের হতাশ করেছে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই একটি পরিচ্ছন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারা গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলীতে যোগদান করেছেন বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নেতার তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশাল জেলার গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার গণঅধিকার পরিষদের জেলা ও উপজেলা শাখার প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার সরিকল তালিমুল কুরআন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের সমর্থনে আয়োজিত ওই সভায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা প্রার্থীর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তাদের যোগদানের ঘোষণা দেন।
নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, গৌরনদী উপজেলা জামায়াতে ইসলীর আমির মাওলানা মো. আল-আমীন এবং সেক্রেটারি বায়জিদ শরীফ।
সভায় যোগদানকারীদের নেতৃত্ব দেন গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা শাখার সহ-সভাপতি ওয়াসিম খান, নুরুল ইসলাম সেরনিয়াবাত, শহিদুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, গৌরনদী উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, আগৈলঝাড়া উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ খান, যুব অধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সভাপতি সাইদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক উজ্জ্বল খান এবং যুব অধিকার পরিষদের নেতা সফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
জামায়াতে ইসলীতে যোগদান শেষে বক্তব্যে সদ্য সাবেক গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন বলেন, বাংলাদেশে একটি পরিবর্তনের রাজনীতির প্রত্যাশায় তারা দীর্ঘদিন ধরে গণঅধিকার পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির পর তারা উপলব্ধি করেন যে তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যেসব রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে লুটপাট, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে, সেই শক্তির সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সংশ্লিষ্টতা তাদের হতাশ করেছে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই একটি পরিচ্ছন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারা গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলীতে যোগদান করেছেন বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নেতার তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন