ইউক্রেনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ওপর রাশিয়ার সেনাবাহিনী নতুন করে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতভর চালানো এই হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা।
হামলার বিস্তারিত এবং এর প্রভাব নিচে তুলে ধরা হলো:
হামলার তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এই অভিযানে রাশিয়া ৪০০টির বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৪০টি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিদ্যুৎ গ্রিড, প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সাবস্টেশনগুলোকে লক্ষ্য করে এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়। ইউক্রেনের বৃহত্তম বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি ডিটিইকে (DTEK) জানিয়েছে, এটি তাদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ওপর চালানো দশম বড় ধরনের হামলা। পশ্চিম ইউক্রেনের লভিভ, রিভনে ও তেরনোপিলসহ একাধিক অঞ্চলে সঞ্চালন লাইন ও গুরুত্বপূর্ণ সাবস্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শীতের তীব্রতা ও মানবিক সংকট এই হামলা এমন এক সময়ে চালানো হলো যখন ইউক্রেনে হাড়কাঁপানো শীত শুরু হয়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় এই তীব্র শীতে লাখ লাখ মানুষের জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পোল্যান্ডের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ আমদানির অনুরোধ জানিয়েছে ইউক্রেন সরকার।
কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট আশ্চর্যের বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়া এই বড় হামলাটি চালালো। যদিও সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে বড় কোনো অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যায়নি। হামলার বিষয়ে মস্কো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
আঞ্চলিক প্রভাব ইউক্রেন সীমান্তে এই ব্যাপক গোলারুবর্ষণের প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডেও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। নিরাপত্তার খাতিরে পোল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুটি বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হলেও পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর সেগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইউক্রেনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ওপর রাশিয়ার সেনাবাহিনী নতুন করে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতভর চালানো এই হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা।
হামলার বিস্তারিত এবং এর প্রভাব নিচে তুলে ধরা হলো:
হামলার তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এই অভিযানে রাশিয়া ৪০০টির বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৪০টি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিদ্যুৎ গ্রিড, প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সাবস্টেশনগুলোকে লক্ষ্য করে এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়। ইউক্রেনের বৃহত্তম বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি ডিটিইকে (DTEK) জানিয়েছে, এটি তাদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ওপর চালানো দশম বড় ধরনের হামলা। পশ্চিম ইউক্রেনের লভিভ, রিভনে ও তেরনোপিলসহ একাধিক অঞ্চলে সঞ্চালন লাইন ও গুরুত্বপূর্ণ সাবস্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শীতের তীব্রতা ও মানবিক সংকট এই হামলা এমন এক সময়ে চালানো হলো যখন ইউক্রেনে হাড়কাঁপানো শীত শুরু হয়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় এই তীব্র শীতে লাখ লাখ মানুষের জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পোল্যান্ডের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ আমদানির অনুরোধ জানিয়েছে ইউক্রেন সরকার।
কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট আশ্চর্যের বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়া এই বড় হামলাটি চালালো। যদিও সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে বড় কোনো অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যায়নি। হামলার বিষয়ে মস্কো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
আঞ্চলিক প্রভাব ইউক্রেন সীমান্তে এই ব্যাপক গোলারুবর্ষণের প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডেও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। নিরাপত্তার খাতিরে পোল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুটি বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হলেও পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর সেগুলো পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন