হবিগঞ্জে এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তাঁর দল রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নয়, বরং একটি সামাজিক ও নৈতিক কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আয়োজিত এই সভায় তিনি দেশে প্রচলিত চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সংস্কৃতির কড়া সমালোচনা করেন।
বক্তব্যের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন যে, একটি নির্দিষ্ট দলের লোকজন ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি চিরতরে বন্ধ করা হবে।
জবাবদিহিতার অঙ্গীকার অসৎ নেতৃত্বের কারণে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমরা নির্বাচিত হলে বছরে অন্তত একবার জনগণের সামনে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেব।" তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন।
ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান নারীদের সম্মান ও অধিকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা মা-বোনদের বিভিন্নভাবে অপমান বা লাঞ্ছিত করেছেন, তাদের ১৮ কোটি মানুষের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে হবিগঞ্জের এই জনসভায় দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হবিগঞ্জে এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তাঁর দল রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নয়, বরং একটি সামাজিক ও নৈতিক কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করেছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আয়োজিত এই সভায় তিনি দেশে প্রচলিত চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সংস্কৃতির কড়া সমালোচনা করেন।
বক্তব্যের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন যে, একটি নির্দিষ্ট দলের লোকজন ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি চিরতরে বন্ধ করা হবে।
জবাবদিহিতার অঙ্গীকার অসৎ নেতৃত্বের কারণে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমরা নির্বাচিত হলে বছরে অন্তত একবার জনগণের সামনে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেব।" তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন।
ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান নারীদের সম্মান ও অধিকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা মা-বোনদের বিভিন্নভাবে অপমান বা লাঞ্ছিত করেছেন, তাদের ১৮ কোটি মানুষের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে হবিগঞ্জের এই জনসভায় দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন