ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, তবে কেউ যদি ভোট কাটতে বা কেন্দ্র দখল করতে আসে তবে তাকে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরগুনার আমতলী পৌরসভা চত্বরে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মো. মাহমুদুল হাসান ওয়ালিউল্লাহর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় তিনি ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, যখন একদল দখলদারি ও চাঁদাবাজিতে মেতেছিল, তখন ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা সংখ্যালঘুদের উপাসনালয় ও জানমাল রক্ষায় পাহারাদারের ভূমিকা পালন করেছে। একইভাবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও তারা সাধারণ মানুষের ভোটের পাহারাদার হিসেবে মাঠে থাকবেন।
বরগুনা-১ আসনে নিজেদের বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে রেজাউল করীম বলেন, স্থানীয় ভোটার ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই সাগরপাড় থেকেই ইসলামী পতাকার বিজয় শুরু হবে। অন্যান্য দলের দেওয়া নানা আধুনিক প্রতিশ্রুতির ভিড়ে তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় গেলে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে তাদের মুখে হাসি ফোটাবে। জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন এবং আগামী নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে ইনসাফ কায়েমের আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, তবে কেউ যদি ভোট কাটতে বা কেন্দ্র দখল করতে আসে তবে তাকে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরগুনার আমতলী পৌরসভা চত্বরে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মো. মাহমুদুল হাসান ওয়ালিউল্লাহর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় তিনি ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, যখন একদল দখলদারি ও চাঁদাবাজিতে মেতেছিল, তখন ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা সংখ্যালঘুদের উপাসনালয় ও জানমাল রক্ষায় পাহারাদারের ভূমিকা পালন করেছে। একইভাবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও তারা সাধারণ মানুষের ভোটের পাহারাদার হিসেবে মাঠে থাকবেন।
বরগুনা-১ আসনে নিজেদের বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে রেজাউল করীম বলেন, স্থানীয় ভোটার ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই সাগরপাড় থেকেই ইসলামী পতাকার বিজয় শুরু হবে। অন্যান্য দলের দেওয়া নানা আধুনিক প্রতিশ্রুতির ভিড়ে তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় গেলে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে তাদের মুখে হাসি ফোটাবে। জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন এবং আগামী নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে ইনসাফ কায়েমের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন