আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই ইশতেহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে সংবিধানে আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি তাদের ইশতেহারে স্পষ্ট করেছে যে, ক্ষমতায় গেলে তারা কোনো ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর বা দুই মেয়াদে নির্দিষ্ট করবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য আনতে ‘উপ-রাষ্ট্রপতি’ পদ পুনরায় সৃজন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। এছাড়া সংসদীয় পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের অংশ হিসেবে সংসদে একটি ‘উচ্চকক্ষ’ (Bicameral Parliament) প্রবর্তন করা হবে, যেখানে বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্টজনদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। সংসদের উচ্চকক্ষে ২০ শতাংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে।
ইশতেহারে ‘জুলাই সনদ ২০২৫’-এর পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হবে। বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা এবং সংবিধানের বিতর্কিত ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতপ্রকাশের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের মাধ্যমে সংসদে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার করেছে দলটি।
সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের পণ্য প্রদান, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ এবং বেকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি। জাতিগত বিভাজন দূর করতে এবং বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে বিএনপি ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছে। তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে সাফ জানিয়েছেন, বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই ইশতেহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে সংবিধানে আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি তাদের ইশতেহারে স্পষ্ট করেছে যে, ক্ষমতায় গেলে তারা কোনো ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর বা দুই মেয়াদে নির্দিষ্ট করবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য আনতে ‘উপ-রাষ্ট্রপতি’ পদ পুনরায় সৃজন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। এছাড়া সংসদীয় পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের অংশ হিসেবে সংসদে একটি ‘উচ্চকক্ষ’ (Bicameral Parliament) প্রবর্তন করা হবে, যেখানে বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্টজনদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। সংসদের উচ্চকক্ষে ২০ শতাংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে।
ইশতেহারে ‘জুলাই সনদ ২০২৫’-এর পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হবে। বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা এবং সংবিধানের বিতর্কিত ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতপ্রকাশের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের মাধ্যমে সংসদে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার করেছে দলটি।
সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের পণ্য প্রদান, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ এবং বেকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি। জাতিগত বিভাজন দূর করতে এবং বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে বিএনপি ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছে। তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে সাফ জানিয়েছেন, বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

আপনার মতামত লিখুন