বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, বাংলাদেশে আর বংশানুক্রমিক বা পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি চলবে না। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে ১১-দলীয় জোটের বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজার ছেলে রাজা হবে—এমন দিন শেষ। এখন থেকে মেধা, যোগ্যতা এবং দেশপ্রেমের ভিত্তিতেই রাজনীতি ও দেশ পরিচালনা হবে।
বৈদেশিক সম্পর্কের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রতিবেশীসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে। কোনো দেশের সঙ্গে অমর্যাদাকর সম্পর্ক রাখা হবে না। তিনি অঙ্গীকার করেন যে, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না। এছাড়া শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলা ও বিভাগে মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বিশেষ করে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, যারা অতীতে মজলুম ছিল, তারা এখন লোভ সামলাতে না পেরে দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন না। যারা দুর্নীতি, মামলা বাণিজ্য বা অন্য ধর্মের মানুষকে হয়রানি করে না, তাদেরই আজ ‘জালেম’ বলা হচ্ছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ভোট ডাকাত বা ইঞ্জিনিয়ারকে এবার কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে এখন থেকেই কেন্দ্র পাহারার নির্দেশনা দেন তিনি।
রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা কেরামত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে রাজশাহী-১ থেকে রাজশাহী-৬ আসনের সকল জামায়াত প্রার্থী এবং জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। রাজশাহীর এই সমাবেশের আগে তিনি জেলার গোদাগাড়ীতেও আরেকটি জনসভায় অংশ নেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, বাংলাদেশে আর বংশানুক্রমিক বা পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি চলবে না। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে ১১-দলীয় জোটের বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজার ছেলে রাজা হবে—এমন দিন শেষ। এখন থেকে মেধা, যোগ্যতা এবং দেশপ্রেমের ভিত্তিতেই রাজনীতি ও দেশ পরিচালনা হবে।
বৈদেশিক সম্পর্কের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রতিবেশীসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে। কোনো দেশের সঙ্গে অমর্যাদাকর সম্পর্ক রাখা হবে না। তিনি অঙ্গীকার করেন যে, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না। এছাড়া শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলা ও বিভাগে মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বিশেষ করে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, যারা অতীতে মজলুম ছিল, তারা এখন লোভ সামলাতে না পেরে দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন না। যারা দুর্নীতি, মামলা বাণিজ্য বা অন্য ধর্মের মানুষকে হয়রানি করে না, তাদেরই আজ ‘জালেম’ বলা হচ্ছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ভোট ডাকাত বা ইঞ্জিনিয়ারকে এবার কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে এখন থেকেই কেন্দ্র পাহারার নির্দেশনা দেন তিনি।
রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা কেরামত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে রাজশাহী-১ থেকে রাজশাহী-৬ আসনের সকল জামায়াত প্রার্থী এবং জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। রাজশাহীর এই সমাবেশের আগে তিনি জেলার গোদাগাড়ীতেও আরেকটি জনসভায় অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন