আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বুধবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম এই ইশতেহার তুলে ধরেন। ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ৩০টি মৌলিক দফার পাশাপাশি খাতভিত্তিক উন্নয়নের জন্য সুনির্দিষ্ট ২৮ দফা পরিকল্পনা পেশ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে চরমোনাই পীর দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান অর্থনীতি আমদানিনির্ভর ও একমুখী রপ্তানির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো দেশের সামান্য নিষেধাজ্ঞা আমাদের অর্থনীতিকে ধসিয়ে দিতে পারে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে রপ্তানি খাতকে বহুমুখী ও প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক করার পাশাপাশি মূলধনী পণ্য আমদানির বদলে দেশীয় উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেবে। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অদক্ষ শ্রমিকের বদলে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
দলের ঘোষিত খাতভিত্তিক ২৮ দফার মধ্যে প্রধান বিষয়গুলো হলো—অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের ক্রয়ক্ষমতা সংরক্ষণ, টেকসই বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সুশাসিত আর্থিক খাত নিশ্চিত করা। বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে গড়ে তোলা এবং জননিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে নৈতিকতা সমৃদ্ধ, কর্মমুখী ও বিজ্ঞানভিত্তিক করার পাশাপাশি শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় সাধনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে আরও রয়েছে সর্বজনীন উন্নত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা, সিনিয়র সিটিজেন ম্যানেজমেন্ট, এবং উৎপাদন ও বিপণনকে প্রাধান্য দিয়ে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। পরিবেশ ও জলবায়ু রক্ষায় আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ, নিরাপদ ও বহুমাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে শহীদ ও যোদ্ধাদের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকারও করা হয়েছে এই ইশতেহারে। এ ছাড়াও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে দলটি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বুধবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম এই ইশতেহার তুলে ধরেন। ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ৩০টি মৌলিক দফার পাশাপাশি খাতভিত্তিক উন্নয়নের জন্য সুনির্দিষ্ট ২৮ দফা পরিকল্পনা পেশ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে চরমোনাই পীর দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান অর্থনীতি আমদানিনির্ভর ও একমুখী রপ্তানির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো দেশের সামান্য নিষেধাজ্ঞা আমাদের অর্থনীতিকে ধসিয়ে দিতে পারে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে রপ্তানি খাতকে বহুমুখী ও প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক করার পাশাপাশি মূলধনী পণ্য আমদানির বদলে দেশীয় উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেবে। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অদক্ষ শ্রমিকের বদলে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
দলের ঘোষিত খাতভিত্তিক ২৮ দফার মধ্যে প্রধান বিষয়গুলো হলো—অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের ক্রয়ক্ষমতা সংরক্ষণ, টেকসই বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সুশাসিত আর্থিক খাত নিশ্চিত করা। বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে গড়ে তোলা এবং জননিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে নৈতিকতা সমৃদ্ধ, কর্মমুখী ও বিজ্ঞানভিত্তিক করার পাশাপাশি শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় সাধনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে আরও রয়েছে সর্বজনীন উন্নত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা, সিনিয়র সিটিজেন ম্যানেজমেন্ট, এবং উৎপাদন ও বিপণনকে প্রাধান্য দিয়ে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। পরিবেশ ও জলবায়ু রক্ষায় আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ, নিরাপদ ও বহুমাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে শহীদ ও যোদ্ধাদের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকারও করা হয়েছে এই ইশতেহারে। এ ছাড়াও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে দলটি।

আপনার মতামত লিখুন