বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত হিরোন হাওলাদার (৪০) পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মানিক হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি সোনাকাটা ইউনিয়নের লাউপাড়া এলাকার বাসিন্দা। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী মহিপুর এলাকায় মাছ ভিক্ষা করে কোনোরকমে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই দুর্বলতাকে পুঁজি করে হিরোন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিশ্বাস অর্জনের জন্য হিরোন ও তার ভাই শিমুলের সঙ্গে মুঠোফোনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের কথাও বলানো হয়। তখন শিমুল দাবি করেন, হিরোন অবিবাহিত এবং তার কোনো স্ত্রী বা সন্তান নেই, যা পরে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আসরের নামাজের সময় মোটরসাইকেলে করে তাকে মহিপুর থেকে পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। ইশার আজানের সময় তাকে একটি ফাঁকা ঘরে রাখা হয়। পরিকল্পিতভাবে কিছুক্ষণ পর সেখানে হিরোনসহ আরও তিনজন ব্যক্তি উপস্থিত হয়।
একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর চারজন মিলে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্তদের মধ্যে কেবল হিরোনের নাম জানলেও বাকি তিনজনের পরিচয় তিনি জানেন না।
ভুক্তভোগী আরও জানান, ফজরের আজানের সময় অভিযুক্তরা ধূমপানের উদ্দেশ্যে ঘর ছেড়ে বাইরে গেলে তিনি জীবন বাঁচাতে ফাঁকা ঘর থেকে পালিয়ে পাশের একটি স্থানে লুকিয়ে থাকেন। পরে মসজিদের মাইকে আজানের শব্দ শুনে সাহস সঞ্চয় করে মুসল্লিদের কাছে গিয়ে সাহায্য চান।
এলাকাবাসী জানান, হিরোন হাওলাদার বিভিন্ন সময় নারীদের ওই এলাকায় নিয়ে আসতেন। কেউ এর প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির হুমকি দেওয়া হতো। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি।
ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত হিরোন হাওলাদার (৪০) পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মানিক হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি সোনাকাটা ইউনিয়নের লাউপাড়া এলাকার বাসিন্দা। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী মহিপুর এলাকায় মাছ ভিক্ষা করে কোনোরকমে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই দুর্বলতাকে পুঁজি করে হিরোন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিশ্বাস অর্জনের জন্য হিরোন ও তার ভাই শিমুলের সঙ্গে মুঠোফোনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের কথাও বলানো হয়। তখন শিমুল দাবি করেন, হিরোন অবিবাহিত এবং তার কোনো স্ত্রী বা সন্তান নেই, যা পরে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আসরের নামাজের সময় মোটরসাইকেলে করে তাকে মহিপুর থেকে পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। ইশার আজানের সময় তাকে একটি ফাঁকা ঘরে রাখা হয়। পরিকল্পিতভাবে কিছুক্ষণ পর সেখানে হিরোনসহ আরও তিনজন ব্যক্তি উপস্থিত হয়।
একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর চারজন মিলে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্তদের মধ্যে কেবল হিরোনের নাম জানলেও বাকি তিনজনের পরিচয় তিনি জানেন না।
ভুক্তভোগী আরও জানান, ফজরের আজানের সময় অভিযুক্তরা ধূমপানের উদ্দেশ্যে ঘর ছেড়ে বাইরে গেলে তিনি জীবন বাঁচাতে ফাঁকা ঘর থেকে পালিয়ে পাশের একটি স্থানে লুকিয়ে থাকেন। পরে মসজিদের মাইকে আজানের শব্দ শুনে সাহস সঞ্চয় করে মুসল্লিদের কাছে গিয়ে সাহায্য চান।
এলাকাবাসী জানান, হিরোন হাওলাদার বিভিন্ন সময় নারীদের ওই এলাকায় নিয়ে আসতেন। কেউ এর প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির হুমকি দেওয়া হতো। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি।
ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন