নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তারা এখন প্রকাশ্যে একটি নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। তাঁর মতে, প্রশাসনের এই রূপ পরিবর্তন ও একতরফা আচরণ গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নাটোরের সিংড়া বাসস্ট্যান্ডে এনসিপি ও ১১-দলীয় জোটের নির্বাচনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে চলমান নির্বাচনি পদযাত্রার অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে পঞ্চগড়ের একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রশাসন তার পূর্বের রূপ দেখাচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন, ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কমিশনে কোনো অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, অথচ বিএনপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার বা শোকজ করা হচ্ছে।
সাবেক এই উপদেষ্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “প্রশাসনকে ব্যবহার করে আবারও যদি কেউ পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চান, তবে মনে করবেন না শেখ হাসিনার মতো পার পেয়ে যাবেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে তা আর সম্ভব নয়।”
নাটোর-৩ আসনে জোটের প্রার্থী এস এম জার্জিস কাদিরের (শাপলা কলি প্রতীক) প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, এই এলাকার তরুণদের কর্মসংস্থান ও ইনসাফ কায়েমে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন যে, চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হলেও পুলিশ অভিযোগ না পাওয়ার অজুহাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখ্য সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম ঘোষণা দেন যে, কোনো শক্তিকেই ভোটকেন্দ্র দখল করতে দেওয়া হবে না এবং জনগণ এ ধরনের প্রচেষ্টাকে ‘লাল কার্ড’ দেখাবে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, জামায়াতে ইসলামীর জেলা শুরা সদস্য আফসার আলী, সিংড়া উপজেলা আমির আমানুল্লাহ খান এবং খেলাফত মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি মুফতি রুহুল আমীনসহ ১১-দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তারা এখন প্রকাশ্যে একটি নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। তাঁর মতে, প্রশাসনের এই রূপ পরিবর্তন ও একতরফা আচরণ গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নাটোরের সিংড়া বাসস্ট্যান্ডে এনসিপি ও ১১-দলীয় জোটের নির্বাচনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে চলমান নির্বাচনি পদযাত্রার অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে পঞ্চগড়ের একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রশাসন তার পূর্বের রূপ দেখাচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন, ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কমিশনে কোনো অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, অথচ বিএনপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার বা শোকজ করা হচ্ছে।
সাবেক এই উপদেষ্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “প্রশাসনকে ব্যবহার করে আবারও যদি কেউ পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চান, তবে মনে করবেন না শেখ হাসিনার মতো পার পেয়ে যাবেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে তা আর সম্ভব নয়।”
নাটোর-৩ আসনে জোটের প্রার্থী এস এম জার্জিস কাদিরের (শাপলা কলি প্রতীক) প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, এই এলাকার তরুণদের কর্মসংস্থান ও ইনসাফ কায়েমে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন যে, চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হলেও পুলিশ অভিযোগ না পাওয়ার অজুহাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখ্য সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম ঘোষণা দেন যে, কোনো শক্তিকেই ভোটকেন্দ্র দখল করতে দেওয়া হবে না এবং জনগণ এ ধরনের প্রচেষ্টাকে ‘লাল কার্ড’ দেখাবে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, জামায়াতে ইসলামীর জেলা শুরা সদস্য আফসার আলী, সিংড়া উপজেলা আমির আমানুল্লাহ খান এবং খেলাফত মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি মুফতি রুহুল আমীনসহ ১১-দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন