আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গ্রামাঞ্চলে ভোটকেন্দ্র ও ভোটার সংখ্যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। তবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী কর্মকর্তারা জানান, গ্রামগঞ্জে সচেতনতার অভাবে কিছু ভোটার ভোটকেন্দ্র ও গণভোট সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন। এসব বিভ্রান্তি দূর করতে ইউনিয়নভিত্তিক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ভোটারদের আশ্বস্ত করে তারা বলেন, সব ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১২১টি। এ আসনে ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩ হাজার ২৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ১৭৯ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের কোনো ভোটার নেই।
ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সংখ্যা তিন হাজার থেকে ছয় হাজারের বেশি। এর মধ্যে ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ২২৫ জন ভোটার রয়েছে। বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসা, মধ্য বালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাঁদবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে পাঁচ হাজারের বেশি ভোটার তালিকাভুক্ত রয়েছে।
ভোটের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জেলা ও উপজেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী প্রশাসন আরও জানায়, প্রতিটি ইউনিয়নে ভোটারদের সঠিক তথ্য জানাতে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ত্রিশাল উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ হওয়ায় এই আসনটি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে ভোটকেন্দ্র ও গণভোট নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে দৃঢ় আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গ্রামাঞ্চলে ভোটকেন্দ্র ও ভোটার সংখ্যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। তবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী কর্মকর্তারা জানান, গ্রামগঞ্জে সচেতনতার অভাবে কিছু ভোটার ভোটকেন্দ্র ও গণভোট সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন। এসব বিভ্রান্তি দূর করতে ইউনিয়নভিত্তিক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ভোটারদের আশ্বস্ত করে তারা বলেন, সব ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১২১টি। এ আসনে ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩ হাজার ২৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ১৭৯ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের কোনো ভোটার নেই।
ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সংখ্যা তিন হাজার থেকে ছয় হাজারের বেশি। এর মধ্যে ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ২২৫ জন ভোটার রয়েছে। বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসা, মধ্য বালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাঁদবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে পাঁচ হাজারের বেশি ভোটার তালিকাভুক্ত রয়েছে।
ভোটের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জেলা ও উপজেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী প্রশাসন আরও জানায়, প্রতিটি ইউনিয়নে ভোটারদের সঠিক তথ্য জানাতে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ত্রিশাল উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ হওয়ায় এই আসনটি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে ভোটকেন্দ্র ও গণভোট নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে দৃঢ় আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন