ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভায় এক সপ্তাহ আগে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো অন্তত ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দেশটির উদ্ধার কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রবল বর্ষণের কারণে রাজধানী জাকার্তার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাশিরলাঙ্গু গ্রামে এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে ৫০টিরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রায় ৬৫০ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। কাদার নিচে চাপা পড়া মানুষদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে হাজারো উদ্ধারকর্মী টানা অভিযান চালাচ্ছেন।
স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান দিয়ান পারমানা জানান, শনিবার পর্যন্ত ৫৩ জনের মরদেহ উদ্ধার ও শনাক্ত করা হয়েছে। এর আগে নিহতের সংখ্যা ছিল ৪৪ জন।
তিনি বলেন, অন্তত ১০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় উদ্ধারকাজে কিছুটা গতি এসেছে।
ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী জানিয়েছে, প্রশিক্ষণরত তাদের ২৩ জন সদস্যও ভূমিধসের ঘটনায় আটকা পড়েছেন। পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলে চলমান অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া সরকার জানায়, গত বছরের শেষ দিকে সুমাত্রা দ্বীপে বনভূমি ধ্বংসের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভায় এক সপ্তাহ আগে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো অন্তত ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দেশটির উদ্ধার কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রবল বর্ষণের কারণে রাজধানী জাকার্তার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাশিরলাঙ্গু গ্রামে এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে ৫০টিরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রায় ৬৫০ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। কাদার নিচে চাপা পড়া মানুষদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে হাজারো উদ্ধারকর্মী টানা অভিযান চালাচ্ছেন।
স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান দিয়ান পারমানা জানান, শনিবার পর্যন্ত ৫৩ জনের মরদেহ উদ্ধার ও শনাক্ত করা হয়েছে। এর আগে নিহতের সংখ্যা ছিল ৪৪ জন।
তিনি বলেন, অন্তত ১০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় উদ্ধারকাজে কিছুটা গতি এসেছে।
ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী জানিয়েছে, প্রশিক্ষণরত তাদের ২৩ জন সদস্যও ভূমিধসের ঘটনায় আটকা পড়েছেন। পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলে চলমান অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া সরকার জানায়, গত বছরের শেষ দিকে সুমাত্রা দ্বীপে বনভূমি ধ্বংসের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন