জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে যদি কেউ ভোট চুরি করতে আসে, তবে সেনাবাহিনী তাদের চামড়া লাল করে দেবে। শনিবার বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ এলাকায় আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে ভোট চোরদের দমনে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বক্তব্যে বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে বলেন, অতীতে ডিসি এবং এসপিদের সহযোগিতায় জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে জোরজবরদস্তি ক্ষমতায় যাওয়ার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। ফ্যাসিবাদী চক্র জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করত না; তারা একদিকে ভোট লুট করেছে, অন্যদিকে দেশের সম্পদ পাচার করেছে। বর্তমান সময়েও কেউ কেউ পুরোনো কায়দায় ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক এবং তাদের কাছে ভোট ভিক্ষা চাওয়া লজ্জার নয় বরং সম্মানের। চাঁদাবাজি করার চেয়ে জনগণের কাছে মাথা নত করে ভোট চাওয়া অনেক বেশি মর্যাদাপূর্ণ। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যারা ট্যাক্স দিয়ে রাষ্ট্রের চাকা সচল রাখে, সেই সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় ধরে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আগের আমলে জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে নয়, বরং টাকার শক্তিতে এবং প্রশাসনের সহায়তায় নির্বাচিত হতেন।
তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানান যেন তারা টাকার বিনিময়ে ভোট বিক্রি না করেন। হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, ভোটাররা যদি সচেতনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সঠিক জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন, তবেই সেই প্রতিনিধি জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। তিনি একটি নিরাপদ এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, যেখানে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে যদি কেউ ভোট চুরি করতে আসে, তবে সেনাবাহিনী তাদের চামড়া লাল করে দেবে। শনিবার বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ এলাকায় আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে ভোট চোরদের দমনে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বক্তব্যে বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে বলেন, অতীতে ডিসি এবং এসপিদের সহযোগিতায় জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে জোরজবরদস্তি ক্ষমতায় যাওয়ার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। ফ্যাসিবাদী চক্র জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করত না; তারা একদিকে ভোট লুট করেছে, অন্যদিকে দেশের সম্পদ পাচার করেছে। বর্তমান সময়েও কেউ কেউ পুরোনো কায়দায় ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক এবং তাদের কাছে ভোট ভিক্ষা চাওয়া লজ্জার নয় বরং সম্মানের। চাঁদাবাজি করার চেয়ে জনগণের কাছে মাথা নত করে ভোট চাওয়া অনেক বেশি মর্যাদাপূর্ণ। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যারা ট্যাক্স দিয়ে রাষ্ট্রের চাকা সচল রাখে, সেই সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় ধরে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আগের আমলে জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে নয়, বরং টাকার শক্তিতে এবং প্রশাসনের সহায়তায় নির্বাচিত হতেন।
তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানান যেন তারা টাকার বিনিময়ে ভোট বিক্রি না করেন। হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, ভোটাররা যদি সচেতনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সঠিক জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন, তবেই সেই প্রতিনিধি জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। তিনি একটি নিরাপদ এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, যেখানে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন