যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ভারত এখন থেকে ইরানের পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করবে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা বা চুক্তির ধারণা চূড়ান্ত হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব জ্বালানি বাজার পুনর্গঠন করতে চায়।
বর্তমানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত ইরান থেকে নগণ্য পরিমাণ তেল আমদানি করে। ট্রাম্পের এই নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভারতকে রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভেনেজুয়েলার দিকে ধাবিত করা, যাতে রাশিয়ার যুদ্ধ অর্থায়নের উৎস সংকুচিত হয়। ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চীনকেও একই শর্তে ভেনেজুয়েলার তেল কেনার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে ট্রাম্পের এই চাঞ্চল্যকর দাবির বিষয়ে ভারত সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের পর দেশটির তেল সম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বেড়েছে। জানুয়ারি মাসের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তেল রপ্তানি আগের মাসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দৈনিক ২ লাখ ৭৫ হাজার ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, চীনে ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি এই মাসে শূন্যে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই গত শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ফোনালাপে দুই নেতা জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতির পর ভেনেজুয়েলার কোনো শীর্ষ নেতার সঙ্গে এটিই ছিল মোদির প্রথম উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ভারত এখন থেকে ইরানের পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করবে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতা বা চুক্তির ধারণা চূড়ান্ত হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব জ্বালানি বাজার পুনর্গঠন করতে চায়।
বর্তমানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত ইরান থেকে নগণ্য পরিমাণ তেল আমদানি করে। ট্রাম্পের এই নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভারতকে রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভেনেজুয়েলার দিকে ধাবিত করা, যাতে রাশিয়ার যুদ্ধ অর্থায়নের উৎস সংকুচিত হয়। ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চীনকেও একই শর্তে ভেনেজুয়েলার তেল কেনার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে ট্রাম্পের এই চাঞ্চল্যকর দাবির বিষয়ে ভারত সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের পর দেশটির তেল সম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বেড়েছে। জানুয়ারি মাসের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তেল রপ্তানি আগের মাসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দৈনিক ২ লাখ ৭৫ হাজার ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, চীনে ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি এই মাসে শূন্যে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই গত শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ফোনালাপে দুই নেতা জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতির পর ভেনেজুয়েলার কোনো শীর্ষ নেতার সঙ্গে এটিই ছিল মোদির প্রথম উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ।

আপনার মতামত লিখুন