যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কর্তৃক যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইন সংশ্লিষ্ট বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই নথিতে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নামের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম আসায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিবিসি ও জেরুজালেম পোস্টের বরাতে জানা যায়, প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার দলিল এবং বিপুল সংখ্যক ছবি ও ভিডিওর মধ্যে কয়েকটি স্থানে মোদির নাম উল্লেখ রয়েছে।
প্রকাশিত নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে নরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফরের নেপথ্যে এপস্টাইনের পরামর্শ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একটি ইমেইলে এপস্টাইন লিখেছেন যে, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার উপায় হিসেবে তিনি মোদিকে ইসরায়েল সফরের পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই ইমেইলে আরও দাবি করা হয় যে, ওই সফরে গিয়ে মোদি আনন্দ-উৎসবে মেতেছিলেন। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশের পর ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ভারত সরকার অবশ্য এই অভিযোগগুলো কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। তিনি এই দাবিগুলোকে পুরোপুরি নিন্দনীয় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কর্তৃক যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইন সংশ্লিষ্ট বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই নথিতে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নামের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম আসায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিবিসি ও জেরুজালেম পোস্টের বরাতে জানা যায়, প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার দলিল এবং বিপুল সংখ্যক ছবি ও ভিডিওর মধ্যে কয়েকটি স্থানে মোদির নাম উল্লেখ রয়েছে।
প্রকাশিত নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে নরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফরের নেপথ্যে এপস্টাইনের পরামর্শ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একটি ইমেইলে এপস্টাইন লিখেছেন যে, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার উপায় হিসেবে তিনি মোদিকে ইসরায়েল সফরের পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই ইমেইলে আরও দাবি করা হয় যে, ওই সফরে গিয়ে মোদি আনন্দ-উৎসবে মেতেছিলেন। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশের পর ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ভারত সরকার অবশ্য এই অভিযোগগুলো কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। তিনি এই দাবিগুলোকে পুরোপুরি নিন্দনীয় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন