মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে কিউবা আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংহতির বিরুদ্ধে এক অস্বাভাবিক হুমকি।
কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্যমতে এই হুমকিটি আমেরিকার নব্য-ফ্যাসিবাদী ডানপন্থী গোষ্ঠীর উসকানি থেকে উদ্ভূত। তিনি সতর্ক করে বলেন যে এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল বিভিন্ন দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিকেই বিপন্ন করছে না বরং তা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সমস্যার মুখে মানবতার অস্তিত্বকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক নির্বাহী আদেশে সই করার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। ওই আদেশে বলা হয় যেসব দেশ কিউবাকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে সেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো কিউবার জ্বালানি সরবরাহের পথগুলো বন্ধ করে দেশটিকে আরও একঘরে করে ফেলা।
এদিকে বেইজিং ট্রাম্পের এই শুল্ক আরোপের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বাণিজ্যের প্রসার ও কিউবার সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। কিউবার বর্তমান জ্বালানি সংকট ও নজিরবিহীন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে মার্কিন এই নতুন নিষেধাজ্ঞা দ্বীপরাষ্ট্রটির অর্থনীতিকে আরও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে কিউবা আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংহতির বিরুদ্ধে এক অস্বাভাবিক হুমকি।
কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্যমতে এই হুমকিটি আমেরিকার নব্য-ফ্যাসিবাদী ডানপন্থী গোষ্ঠীর উসকানি থেকে উদ্ভূত। তিনি সতর্ক করে বলেন যে এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল বিভিন্ন দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিকেই বিপন্ন করছে না বরং তা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সমস্যার মুখে মানবতার অস্তিত্বকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক নির্বাহী আদেশে সই করার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। ওই আদেশে বলা হয় যেসব দেশ কিউবাকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে সেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো কিউবার জ্বালানি সরবরাহের পথগুলো বন্ধ করে দেশটিকে আরও একঘরে করে ফেলা।
এদিকে বেইজিং ট্রাম্পের এই শুল্ক আরোপের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বাণিজ্যের প্রসার ও কিউবার সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। কিউবার বর্তমান জ্বালানি সংকট ও নজিরবিহীন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে মার্কিন এই নতুন নিষেধাজ্ঞা দ্বীপরাষ্ট্রটির অর্থনীতিকে আরও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন