বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন যে বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি এবং এই ঘাঁটির দায়িত্ব তিনি নেতা-কর্মীদের ওপর অর্পণ করেছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বগুড়ার নাজ গার্ডেন হোটেলে নিজের নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন যেন তারা এই ঘাঁটির জনগণকে যথাযথভাবে দেখে রাখেন এবং বগুড়ার সাতটি আসনেই প্রতিটি ভোটারের ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচারণা চালান।
তারেক রহমান বলেন যে অতীতে বিভিন্ন সময়ে তিনি বগুড়ায় এসেছেন তবে এবার তিনি এই আসনের প্রার্থী হয়ে এসেছেন। সভায় কোনো কোনো বক্তা ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয়ের কথা বললে তারেক রহমান তাদের সতর্ক করে বলেন যে এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন যে শুধু ঘরে বসে থাকলে চলবে না বরং আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে। তিনি লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেন যেন বগুড়ার সাতটি আসনেই ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সভার শুরুতে দলটির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। মতবিনিময় শেষে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
যাওয়ার পথে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দুই পাশে তাকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক মানুষ ভিড় করেন এবং তিনি হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান। যাত্রাপথে তিনি বগুড়ার শাজাহানপুর দলীয় কার্যালয়ের সামনের পথসভায় যোগ দেন এবং পরবর্তীতে শেরপুরের ধুনট মোড়ে আরও একটি পথসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো বগুড়া জেলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন যে বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি এবং এই ঘাঁটির দায়িত্ব তিনি নেতা-কর্মীদের ওপর অর্পণ করেছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বগুড়ার নাজ গার্ডেন হোটেলে নিজের নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন যেন তারা এই ঘাঁটির জনগণকে যথাযথভাবে দেখে রাখেন এবং বগুড়ার সাতটি আসনেই প্রতিটি ভোটারের ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচারণা চালান।
তারেক রহমান বলেন যে অতীতে বিভিন্ন সময়ে তিনি বগুড়ায় এসেছেন তবে এবার তিনি এই আসনের প্রার্থী হয়ে এসেছেন। সভায় কোনো কোনো বক্তা ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয়ের কথা বললে তারেক রহমান তাদের সতর্ক করে বলেন যে এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন যে শুধু ঘরে বসে থাকলে চলবে না বরং আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে। তিনি লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেন যেন বগুড়ার সাতটি আসনেই ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সভার শুরুতে দলটির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। মতবিনিময় শেষে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
যাওয়ার পথে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দুই পাশে তাকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক মানুষ ভিড় করেন এবং তিনি হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান। যাত্রাপথে তিনি বগুড়ার শাজাহানপুর দলীয় কার্যালয়ের সামনের পথসভায় যোগ দেন এবং পরবর্তীতে শেরপুরের ধুনট মোড়ে আরও একটি পথসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো বগুড়া জেলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন