মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরাইল ও সৌদি আরবের কাছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ইসরাইলের কাছে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৩০টি অ্যাপাচি আক্রমণকারী হেলিকপ্টার বিক্রির চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে। গাজায় সাম্প্রতিক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই এই ঘোষণাটি এল। একই প্যাকেজের অধীনে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের যৌথ লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকল বিক্রির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমেরিকার জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং দেশটি যেন শক্তিশালী আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারে সেই লক্ষ্যেই এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে সৌদি আরবের কাছেও প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির আওতায় দেশটিকে ৭৩০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে যা আকাশপথে আসা যেকোনো হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম। গত বছর ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় ইসরাইলের বড় ধরনের বিমান হামলা এবং ইরানে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই অস্ত্র বিক্রির চুক্তিগুলোকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
যদিও সৌদি আরব ও ইরান সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে তবুও উপসাগরীয় দেশগুলো এই অঞ্চলে বড় ধরনের অস্থিরতা নিয়ে আশঙ্কায় আছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে সৌদি আরবের আলোচনা চললেও ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের কারণে বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে যে গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে তাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরাইল ও সৌদি আরবের কাছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ইসরাইলের কাছে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৩০টি অ্যাপাচি আক্রমণকারী হেলিকপ্টার বিক্রির চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে। গাজায় সাম্প্রতিক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই এই ঘোষণাটি এল। একই প্যাকেজের অধীনে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের যৌথ লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকল বিক্রির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমেরিকার জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং দেশটি যেন শক্তিশালী আত্মরক্ষামূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারে সেই লক্ষ্যেই এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে সৌদি আরবের কাছেও প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির আওতায় দেশটিকে ৭৩০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে যা আকাশপথে আসা যেকোনো হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম। গত বছর ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় ইসরাইলের বড় ধরনের বিমান হামলা এবং ইরানে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই অস্ত্র বিক্রির চুক্তিগুলোকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
যদিও সৌদি আরব ও ইরান সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে তবুও উপসাগরীয় দেশগুলো এই অঞ্চলে বড় ধরনের অস্থিরতা নিয়ে আশঙ্কায় আছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে সৌদি আরবের আলোচনা চললেও ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের কারণে বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে যে গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে তাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা।

আপনার মতামত লিখুন