চাঁদাবাজদের তওবা করে এই পথ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬) সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে ১১ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন যে চাঁদাবাজির কারণে বর্তমানে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পপতি পর্যন্ত সবার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত, তারা মানুষের অভিশাপের পাত্রে পরিণত হয়েছে।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন যে যে দেশে পথে-প্রান্তরে সর্বত্র চাঁদাবাজি হয়, সেই দেশকে এখনো সভ্য বলা যাবে না। তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশে বলেন যে তারা আমাদেরই সন্তান, তাই তাদের উচিত এই হারামের পথ পরিহার করা। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে যাতে তারা অন্ধকার পথ ছেড়ে সুস্থ জীবনে ফিরতে পারে। এমনকি কারো খাবারের অভাব হলে নিজেদের রিজিক ভাগ করে খাওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
সমাবেশে তিনি আরও বলেন যে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়তে দেশের মানুষ এখন একাট্টা হয়েছে। তিনি বিএনপির 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির সমালোচনা করে বলেন যে মানুষ এখন কার্ডের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা চায়। এছাড়া তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং মা ও শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দেন।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের জোটের প্রার্থী ড. ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দীকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। আমীরে জামায়াত ঘোষণা করেন যে ১৩ ফেব্রুয়ারি একটি নতুন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের রায় দেবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
চাঁদাবাজদের তওবা করে এই পথ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬) সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে ১১ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন যে চাঁদাবাজির কারণে বর্তমানে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পপতি পর্যন্ত সবার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত, তারা মানুষের অভিশাপের পাত্রে পরিণত হয়েছে।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন যে যে দেশে পথে-প্রান্তরে সর্বত্র চাঁদাবাজি হয়, সেই দেশকে এখনো সভ্য বলা যাবে না। তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশে বলেন যে তারা আমাদেরই সন্তান, তাই তাদের উচিত এই হারামের পথ পরিহার করা। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে যাতে তারা অন্ধকার পথ ছেড়ে সুস্থ জীবনে ফিরতে পারে। এমনকি কারো খাবারের অভাব হলে নিজেদের রিজিক ভাগ করে খাওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
সমাবেশে তিনি আরও বলেন যে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়তে দেশের মানুষ এখন একাট্টা হয়েছে। তিনি বিএনপির 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির সমালোচনা করে বলেন যে মানুষ এখন কার্ডের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা চায়। এছাড়া তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং মা ও শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দেন।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের জোটের প্রার্থী ড. ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দীকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। আমীরে জামায়াত ঘোষণা করেন যে ১৩ ফেব্রুয়ারি একটি নতুন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের রায় দেবে।

আপনার মতামত লিখুন