পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু জেলার ডোমেল তেহসিলে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পাঁচজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আল-বদরি নামে পরিচিত কুখ্যাত সন্ত্রাসী কমান্ডার জেওয়ারানও রয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অভিযানে তীব্র গোলাগুলির কবলে পড়ে তিন বেসামরিক নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে।
ডোমেল তেহসিলের স্পেরকা ও কোটকা আকবর আলী খান এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। সূত্রমতে, অভিযানে সন্ত্রাসীদের আস্তানা লক্ষ্য করে ২৫টিরও বেশি কোয়াডকপ্টার হামলা চালানো হয়। ব্যাপক গুলি বিনিময়ের এক পর্যায়ে অন্তত সাতজন সন্ত্রাসী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে পালিয়ে যাওয়া বাকি সন্ত্রাসীদের ধরতে ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পুরো এলাকায় কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অভিযানের সময় একটি বাড়িতে গোলাগুলির কারণে নঈমুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি এবং তার মা ও দাদি নিহত হয়েছেন। ওই পরিবারের আরও চারজন সদস্য—যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে—গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খলিফা গুল নওয়াজ হাসপাতালের পক্ষ থেকে আহতদের ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেয়। পুরো অভিযানটি সরাসরি মাঠে থেকে তদারকি করেন আরপিও সাজ্জাদ খান, ডিপিও ইয়াসির আফ্রিদি এবং ব্রিগেডিয়ার উমাইর নিয়াজি। উল্লেখ্য, বান্নু জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে; চলতি মাসের শুরুতেই সেখানে পৃথক হামলায় পুলিশ ও শান্তি কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু জেলার ডোমেল তেহসিলে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে পাঁচজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আল-বদরি নামে পরিচিত কুখ্যাত সন্ত্রাসী কমান্ডার জেওয়ারানও রয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অভিযানে তীব্র গোলাগুলির কবলে পড়ে তিন বেসামরিক নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে।
ডোমেল তেহসিলের স্পেরকা ও কোটকা আকবর আলী খান এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। সূত্রমতে, অভিযানে সন্ত্রাসীদের আস্তানা লক্ষ্য করে ২৫টিরও বেশি কোয়াডকপ্টার হামলা চালানো হয়। ব্যাপক গুলি বিনিময়ের এক পর্যায়ে অন্তত সাতজন সন্ত্রাসী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে পালিয়ে যাওয়া বাকি সন্ত্রাসীদের ধরতে ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পুরো এলাকায় কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অভিযানের সময় একটি বাড়িতে গোলাগুলির কারণে নঈমুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি এবং তার মা ও দাদি নিহত হয়েছেন। ওই পরিবারের আরও চারজন সদস্য—যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে—গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খলিফা গুল নওয়াজ হাসপাতালের পক্ষ থেকে আহতদের ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেয়। পুরো অভিযানটি সরাসরি মাঠে থেকে তদারকি করেন আরপিও সাজ্জাদ খান, ডিপিও ইয়াসির আফ্রিদি এবং ব্রিগেডিয়ার উমাইর নিয়াজি। উল্লেখ্য, বান্নু জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে; চলতি মাসের শুরুতেই সেখানে পৃথক হামলায় পুলিশ ও শান্তি কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন