কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী করে তুলতে পারে—এমন মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মালয়েশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান।
কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী বা এলজিবিটি-সম্পর্কিত আচরণের দিকে ঠেলে দিতে পারে—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মালয়েশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান। দেশটির পার্লামেন্টে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে দাবি করেন, কাজের চাপের পাশাপাশি সামাজিক পরিবেশ, ধর্মীয় চর্চার অভাব এবং নির্দিষ্ট কিছু অভিজ্ঞতা একজন ব্যক্তির আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তার মতে, এসব কারণের সম্মিলিত প্রভাবে কেউ কেউ এলজিবিটি জীবনধারার দিকে ঝুঁকতে পারেন।
মন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন, চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীরা মন্তব্যটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অবৈজ্ঞানিক বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা বলছেন, যৌন অভিমুখ কোনো মানসিক চাপ বা সামাজিক পরিস্থিতির ফল নয়; এটি মানুষের স্বাভাবিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের অংশ।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। অনেকেই একে বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকর মন্তব্য বলে অভিহিত করেছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় সমলিঙ্গ সম্পর্ক এখনও আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। ফলে সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর এমন মন্তব্য দেশটির এলজিবিটি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী করে তুলতে পারে—এমন মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মালয়েশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান।
কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী বা এলজিবিটি-সম্পর্কিত আচরণের দিকে ঠেলে দিতে পারে—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মালয়েশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান। দেশটির পার্লামেন্টে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে দাবি করেন, কাজের চাপের পাশাপাশি সামাজিক পরিবেশ, ধর্মীয় চর্চার অভাব এবং নির্দিষ্ট কিছু অভিজ্ঞতা একজন ব্যক্তির আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তার মতে, এসব কারণের সম্মিলিত প্রভাবে কেউ কেউ এলজিবিটি জীবনধারার দিকে ঝুঁকতে পারেন।
মন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন, চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীরা মন্তব্যটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অবৈজ্ঞানিক বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা বলছেন, যৌন অভিমুখ কোনো মানসিক চাপ বা সামাজিক পরিস্থিতির ফল নয়; এটি মানুষের স্বাভাবিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের অংশ।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। অনেকেই একে বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকর মন্তব্য বলে অভিহিত করেছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় সমলিঙ্গ সম্পর্ক এখনও আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। ফলে সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর এমন মন্তব্য দেশটির এলজিবিটি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন