মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় রণসজ্জা চূড়ান্ত করে ইরানকে কড়া আল্টিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পারমাণবিক ইস্যুতে একটি চুক্তিতে আসার সময় ফুরিয়ে আসছে উল্লেখ করে তিনি হুমকি দিয়েছেন যে, তেহরান যদি দ্রুত আলোচনায় না বসে তবে দেশটিতে ‘ভয়াবহ’ হামলা চালানো হবে।
তবে ট্রাম্পের এই আল্টিমেটাম সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। মার্কিন হুমকিতে মাথা নত করবে না বলে জানিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে তিনি এও জানান যে, কোনো ধরনের হুমকি বা জবরদস্তি ছাড়া কেবল ‘ন্যায্য ও সমান’ চুক্তির ভিত্তিতে আলোচনায় বসতে তেহরানের আপত্তি নেই।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে জানান, বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিনকনের নেতৃত্বে একটি বিশাল নৌবহর বা ‘আর্মাডা’ ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প একে গত জুনে ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় চালানো ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর চেয়েও বড় আক্রমণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “পরবর্তী হামলা হবে আরও ভয়াবহ! এটি যেন না ঘটে সেই চেষ্টা করুন।”
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের বর্তমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ইরান সরকার এখন ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। রুবিও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটলে ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা অনিশ্চিত।
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি এর জবাবে বলেন, “আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু আত্মরক্ষার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।” জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশনও জানিয়েছে, আলোচনার প্রস্তাব মানেই দুর্বলতা নয়। যদি ইরান আক্রান্ত হয়, তবে তারা এমনভাবে পাল্টা আঘাত করবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় রণসজ্জা চূড়ান্ত করে ইরানকে কড়া আল্টিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পারমাণবিক ইস্যুতে একটি চুক্তিতে আসার সময় ফুরিয়ে আসছে উল্লেখ করে তিনি হুমকি দিয়েছেন যে, তেহরান যদি দ্রুত আলোচনায় না বসে তবে দেশটিতে ‘ভয়াবহ’ হামলা চালানো হবে।
তবে ট্রাম্পের এই আল্টিমেটাম সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। মার্কিন হুমকিতে মাথা নত করবে না বলে জানিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে তিনি এও জানান যে, কোনো ধরনের হুমকি বা জবরদস্তি ছাড়া কেবল ‘ন্যায্য ও সমান’ চুক্তির ভিত্তিতে আলোচনায় বসতে তেহরানের আপত্তি নেই।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে জানান, বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিনকনের নেতৃত্বে একটি বিশাল নৌবহর বা ‘আর্মাডা’ ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প একে গত জুনে ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় চালানো ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর চেয়েও বড় আক্রমণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “পরবর্তী হামলা হবে আরও ভয়াবহ! এটি যেন না ঘটে সেই চেষ্টা করুন।”
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের বর্তমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ইরান সরকার এখন ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। রুবিও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটলে ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা অনিশ্চিত।
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি এর জবাবে বলেন, “আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু আত্মরক্ষার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।” জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশনও জানিয়েছে, আলোচনার প্রস্তাব মানেই দুর্বলতা নয়। যদি ইরান আক্রান্ত হয়, তবে তারা এমনভাবে পাল্টা আঘাত করবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন