ফরিদপুর কোতয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া তিনটি গ্রেনেড, ৪১টি শটগান কার্তুজ ও ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
র্যাব জানায়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা এবং নাশকতা প্রতিরোধে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন একটি পেশাদার ও নির্ভরযোগ্য বাহিনী হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুদ, পরিবহন ও ব্যবহার রোধে র্যাব নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত জনবল ব্যবহার করে জিরো টলারেন্স নীতিতে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নেয়। পরবর্তীতে এসব লুট হওয়া অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হওয়ায় জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুরু থেকেই র্যাব পেশাদারিত্বের সঙ্গে মাঠে নেমে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশনায় লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১০ সিপিসি ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বিআরটিসির দক্ষিণ পাশের প্রাচীরের বাইরে চরকমলাপুরগামী রাস্তার পাশে বিদ্যুতের খুঁটির সংলগ্ন ঝোপঝাড়ে অভিযান চালায়। অভিযানে সেখান থেকে ধাতব লিভারযুক্ত তিনটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ৪১টি শটগান কার্তুজ এবং ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে র্যাব ধারণা করছে, উদ্ধারকৃত গ্রেনেড ও কার্তুজগুলো ফরিদপুর কোতয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের গোলাবারুদের অংশ।
র্যাব-১০ আরও জানায়, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নাশকতা প্রতিরোধে র্যাব সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে।
এই সফল অভিযানের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যকর ও দৃঢ় ভূমিকা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুর কোতয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া তিনটি গ্রেনেড, ৪১টি শটগান কার্তুজ ও ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
র্যাব জানায়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা এবং নাশকতা প্রতিরোধে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন একটি পেশাদার ও নির্ভরযোগ্য বাহিনী হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুদ, পরিবহন ও ব্যবহার রোধে র্যাব নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত জনবল ব্যবহার করে জিরো টলারেন্স নীতিতে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নেয়। পরবর্তীতে এসব লুট হওয়া অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হওয়ায় জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুরু থেকেই র্যাব পেশাদারিত্বের সঙ্গে মাঠে নেমে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশনায় লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১০ সিপিসি ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বিআরটিসির দক্ষিণ পাশের প্রাচীরের বাইরে চরকমলাপুরগামী রাস্তার পাশে বিদ্যুতের খুঁটির সংলগ্ন ঝোপঝাড়ে অভিযান চালায়। অভিযানে সেখান থেকে ধাতব লিভারযুক্ত তিনটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ৪১টি শটগান কার্তুজ এবং ৩০টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে র্যাব ধারণা করছে, উদ্ধারকৃত গ্রেনেড ও কার্তুজগুলো ফরিদপুর কোতয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের গোলাবারুদের অংশ।
র্যাব-১০ আরও জানায়, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নাশকতা প্রতিরোধে র্যাব সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে।
এই সফল অভিযানের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যকর ও দৃঢ় ভূমিকা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন