ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, ইসলামের আদর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যেই তারা রাজনৈতিক সমঝোতা করেছিলেন। তবে যাদের সঙ্গে এই সমঝোতা হয়েছিল, তারা পুনরায় বিদ্যমান প্রচলিত আইনেই দেশ চালানোর ঘোষণা দেওয়ায় সেই পথ থেকে সরে আসতে হয়েছে। বুধবার কুড়িগ্রাম-২ আসনে দলীয় প্রার্থী মাওলানা নুর বখতের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
চরমোনাই পীর অভিযোগ করেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের রক্ত ও ত্যাগের মূল উদ্দেশ্য ছিল পুরোনো শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। যারা আজও বিদ্যমান আইন ও পুরোনো বন্দোবস্ত বজায় রেখে দেশ পরিচালনা করতে চায়, তারা মূলত জুলাই বিপ্লবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি পুরোনো নিয়মেই দেশ চলে, তবে আবু সাঈদ বা মুগ্ধদের মতো তরুণদের কেন জীবন দিতে হলো?
জনসভায় তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য দেশ স্বাধীন হলেও গত কয়েক দশকে মানুষ শুধু খুন, গুম আর অর্থপাচার দেখেছে। এর মূল কারণ হিসেবে তিনি ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে সংসদে ইসলামের অনুপস্থিতিকে দায়ী করেন। তিনি দাবি করেন, জুলাইয়ের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এবার হাতপাখা মার্কায় ভোট দিয়ে আলেম ও সৎ মানুষকে সংসদে পাঠাতে হবে।
মুফতী রেজাউল করীম ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, মাওলানা নুর বখতের মতো শিক্ষাবিদ আলেম যদি সংসদে যান, তবে দেশে কোনো চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। বিদ্যমান ঘুণে ধরা সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য তিনি দেশপ্রেমিক নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, ইসলামের আদর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যেই তারা রাজনৈতিক সমঝোতা করেছিলেন। তবে যাদের সঙ্গে এই সমঝোতা হয়েছিল, তারা পুনরায় বিদ্যমান প্রচলিত আইনেই দেশ চালানোর ঘোষণা দেওয়ায় সেই পথ থেকে সরে আসতে হয়েছে। বুধবার কুড়িগ্রাম-২ আসনে দলীয় প্রার্থী মাওলানা নুর বখতের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
চরমোনাই পীর অভিযোগ করেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের রক্ত ও ত্যাগের মূল উদ্দেশ্য ছিল পুরোনো শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। যারা আজও বিদ্যমান আইন ও পুরোনো বন্দোবস্ত বজায় রেখে দেশ পরিচালনা করতে চায়, তারা মূলত জুলাই বিপ্লবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি পুরোনো নিয়মেই দেশ চলে, তবে আবু সাঈদ বা মুগ্ধদের মতো তরুণদের কেন জীবন দিতে হলো?
জনসভায় তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য দেশ স্বাধীন হলেও গত কয়েক দশকে মানুষ শুধু খুন, গুম আর অর্থপাচার দেখেছে। এর মূল কারণ হিসেবে তিনি ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে সংসদে ইসলামের অনুপস্থিতিকে দায়ী করেন। তিনি দাবি করেন, জুলাইয়ের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এবার হাতপাখা মার্কায় ভোট দিয়ে আলেম ও সৎ মানুষকে সংসদে পাঠাতে হবে।
মুফতী রেজাউল করীম ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, মাওলানা নুর বখতের মতো শিক্ষাবিদ আলেম যদি সংসদে যান, তবে দেশে কোনো চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। বিদ্যমান ঘুণে ধরা সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য তিনি দেশপ্রেমিক নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন