রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির দুইজন প্রভাবশালী নেতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক নির্বাচনি উত্তাপ ছড়িয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোটের মাঠে থাকায় দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও তারা নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। এর ফলে বিএনপির অভ্যন্তরে যেমন বিভক্তি ও অস্বস্তি বেড়েছে, তেমনি একক প্রার্থী নিয়ে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এই আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তবে কাঙ্ক্ষিত মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের সহসভাপতি ব্যারিস্টার রেজাউল করিম (ফুটবল প্রতীক) এবং পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও শিল্পপতি ইসফা খায়রুল হক শিমুল (ঘোড়া প্রতীক)। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হলেও তারা মাঠ ছাড়েননি, বরং নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বিএনপির তৃণমূলের ভোট ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মুনজুর রহমান। তার নেতৃত্বে পুঠিয়া ও দুর্গাপুরজুড়ে জামায়াত বেশ সুসংগঠিতভাবে প্রচার চালাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, বিএনপির অভ্যন্তরীণ এই কোন্দল জামায়াতের প্রার্থীর জন্য জয়ের পথ সহজ করে দিতে পারে। এছাড়া এই আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আরও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন যে ধানের শীষের ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং দল কেবল তাকেই সমর্থন দিয়েছে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিম ও ইসফা খায়রুল হক শিমুল জানিয়েছেন, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের চাপের কারণেই তারা নির্বাচনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী মুনজুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে পরিবর্তনের জন্য সাধারণ মানুষ এবার দাঁড়ি-পাল্লা প্রতীকে ভোট দেবে। তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীর মতে, প্রার্থীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ না থাকার কারণে এই বিভক্তি ভোটের ফলাফলে বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির দুইজন প্রভাবশালী নেতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক নির্বাচনি উত্তাপ ছড়িয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোটের মাঠে থাকায় দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও তারা নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। এর ফলে বিএনপির অভ্যন্তরে যেমন বিভক্তি ও অস্বস্তি বেড়েছে, তেমনি একক প্রার্থী নিয়ে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এই আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তবে কাঙ্ক্ষিত মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের সহসভাপতি ব্যারিস্টার রেজাউল করিম (ফুটবল প্রতীক) এবং পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও শিল্পপতি ইসফা খায়রুল হক শিমুল (ঘোড়া প্রতীক)। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হলেও তারা মাঠ ছাড়েননি, বরং নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বিএনপির তৃণমূলের ভোট ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মুনজুর রহমান। তার নেতৃত্বে পুঠিয়া ও দুর্গাপুরজুড়ে জামায়াত বেশ সুসংগঠিতভাবে প্রচার চালাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, বিএনপির অভ্যন্তরীণ এই কোন্দল জামায়াতের প্রার্থীর জন্য জয়ের পথ সহজ করে দিতে পারে। এছাড়া এই আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আরও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন যে ধানের শীষের ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং দল কেবল তাকেই সমর্থন দিয়েছে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিম ও ইসফা খায়রুল হক শিমুল জানিয়েছেন, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের চাপের কারণেই তারা নির্বাচনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী মুনজুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে পরিবর্তনের জন্য সাধারণ মানুষ এবার দাঁড়ি-পাল্লা প্রতীকে ভোট দেবে। তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীর মতে, প্রার্থীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ না থাকার কারণে এই বিভক্তি ভোটের ফলাফলে বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন