ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ কর্মসূচি জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সিলেট নগরীর পাঠানটুলা এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
কর্মসূচি শুরুর আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ জমায়েত হতে থাকেন। পরে গণসংযোগটি পাঠানটুলা থেকে শুরু হয়ে মসজিদ গলি, মোহনা আবাসিক এলাকা, লন্ডনী রোড, সুবিদবাজার, হাজীপাড়া, বনকলাপাড়া, পীরমহল্লা ও খাসদবীসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ এই কর্মসূচি একপর্যায়ে বিশাল গণমিছিলে রূপ নেয়।
মিছিল চলাকালে বিভিন্ন এলাকার বাসা-বাড়ির ছাদ ও বারান্দা থেকে নানা বয়সী নারীরা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় নারীরা জানান, দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে তারা মুখিয়ে রয়েছেন এবং সিলেটের অবহেলিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এই প্রতীকের বিজয় কামনা করেন।
গণসংযোগ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “দীর্ঘ দুঃশাসনের পর মানুষ এখন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায়। ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার যে আনন্দ, তা মানুষের চোখেমুখেই ফুটে উঠছে। বিগত দিনে যারা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তারা তাদের প্রত্যাশার কথা আমাদের কাছে তুলে ধরছেন। ইনশা আল্লাহ, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে সেই প্রত্যাশা পূরণে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
এই গণমিছিলে মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি মাহবুব কাদির শাহী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজীবুর রহমান নজিব, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুবসহ মহানগর ও জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ মিছিলে অংশ নেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ কর্মসূচি জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সিলেট নগরীর পাঠানটুলা এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
কর্মসূচি শুরুর আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ জমায়েত হতে থাকেন। পরে গণসংযোগটি পাঠানটুলা থেকে শুরু হয়ে মসজিদ গলি, মোহনা আবাসিক এলাকা, লন্ডনী রোড, সুবিদবাজার, হাজীপাড়া, বনকলাপাড়া, পীরমহল্লা ও খাসদবীসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ এই কর্মসূচি একপর্যায়ে বিশাল গণমিছিলে রূপ নেয়।
মিছিল চলাকালে বিভিন্ন এলাকার বাসা-বাড়ির ছাদ ও বারান্দা থেকে নানা বয়সী নারীরা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় নারীরা জানান, দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে তারা মুখিয়ে রয়েছেন এবং সিলেটের অবহেলিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এই প্রতীকের বিজয় কামনা করেন।
গণসংযোগ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “দীর্ঘ দুঃশাসনের পর মানুষ এখন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায়। ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার যে আনন্দ, তা মানুষের চোখেমুখেই ফুটে উঠছে। বিগত দিনে যারা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তারা তাদের প্রত্যাশার কথা আমাদের কাছে তুলে ধরছেন। ইনশা আল্লাহ, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে সেই প্রত্যাশা পূরণে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
এই গণমিছিলে মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি মাহবুব কাদির শাহী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজীবুর রহমান নজিব, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুবসহ মহানগর ও জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ মিছিলে অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন