আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট আগে যে উপাদান প্রত্যাখ্যান করেছে, তার বাইরে নতুন করে বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ নেই। রায়ে ২০১৪ সালের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করা হয়, যেখানে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব এবং সুষ্ঠু তদন্ত না থাকার কারণে মূল অভিযুক্তদের খালাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন কোনো তথ্যপ্রমাণ না আসায় আদালত তিনজনকে তাৎক্ষণিক মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন আবদুল রশিদ সুলেমান আজমেরি, মুহাম্মদ ফারুক মুহাম্মদ হাফেজ শেখ এবং মুহাম্মদ ইয়াসিন ওরফে ইয়াসিন ভাট। আজমেরি ও হাফেজ শেখ আহমেদাবাদের বাসিন্দা এবং ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০২ সালের হামলার সময় তারা সৌদি আরবে ছিলেন। পরে তাদের ‘পলাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২০১৯ সালে দেশে ফেরার পর ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাদের গ্রেপ্তার করে। ইয়াসিনের বিরুদ্ধেও একই মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।
মামলার পূর্ববর্তী পর্যায়ে আরও কয়েকজন অভিযুক্ত খালাস পেয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট আদম সুলেমান আজমেরি এবং সালিম হানিফ শেখকে খালাস দেয়। মুক্তির পর জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ তাদের আইনি সহায়তা প্রদান করে এবং বাকি তিনজনের ক্ষেত্রেও মামলা চালিয়ে যায়।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রধান মাওলানা আরশাদ মাদানী খালাসের রায়কে ন্যায়বিচারের বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালত সুপ্রিম কোর্টের নজির অনুসরণ করেছে। তবে তিনি ছয় বছরের বিলম্বকে দুঃখজনক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ব্যবস্থাগত ত্রুটির কারণে নির্দোষ মানুষের জীবন কারাবন্দিত্বে নষ্ট হয়েছে।
২০০২ সালের হামলায় ৩০ জনের বেশি নিহত হন। মামলার শুরুর দিকে পোটা আইনে দেওয়া সাজার মধ্যে কারও কারও মৃত্যুদণ্ডও ছিল, যা ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে। সেই সময় সর্বোচ্চ আদালত গুজরাট পুলিশের তদন্তকে ত্রুটিপূর্ণ বলে সমালোচনা করে এবং নির্দোষদের জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে।
সাম্প্রতিক এই খালাসের রায় সন্ত্রাস মামলাগুলোর তদন্তের মান, ন্যায়বিচারের বিলম্ব এবং নির্দোষদের পাশে দাঁড়ানো সংগঠনগুলোর ভূমিকা আবারও সামনে এনেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট আগে যে উপাদান প্রত্যাখ্যান করেছে, তার বাইরে নতুন করে বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ নেই। রায়ে ২০১৪ সালের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করা হয়, যেখানে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব এবং সুষ্ঠু তদন্ত না থাকার কারণে মূল অভিযুক্তদের খালাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন কোনো তথ্যপ্রমাণ না আসায় আদালত তিনজনকে তাৎক্ষণিক মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন আবদুল রশিদ সুলেমান আজমেরি, মুহাম্মদ ফারুক মুহাম্মদ হাফেজ শেখ এবং মুহাম্মদ ইয়াসিন ওরফে ইয়াসিন ভাট। আজমেরি ও হাফেজ শেখ আহমেদাবাদের বাসিন্দা এবং ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০২ সালের হামলার সময় তারা সৌদি আরবে ছিলেন। পরে তাদের ‘পলাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২০১৯ সালে দেশে ফেরার পর ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাদের গ্রেপ্তার করে। ইয়াসিনের বিরুদ্ধেও একই মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।
মামলার পূর্ববর্তী পর্যায়ে আরও কয়েকজন অভিযুক্ত খালাস পেয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট আদম সুলেমান আজমেরি এবং সালিম হানিফ শেখকে খালাস দেয়। মুক্তির পর জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ তাদের আইনি সহায়তা প্রদান করে এবং বাকি তিনজনের ক্ষেত্রেও মামলা চালিয়ে যায়।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রধান মাওলানা আরশাদ মাদানী খালাসের রায়কে ন্যায়বিচারের বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালত সুপ্রিম কোর্টের নজির অনুসরণ করেছে। তবে তিনি ছয় বছরের বিলম্বকে দুঃখজনক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ব্যবস্থাগত ত্রুটির কারণে নির্দোষ মানুষের জীবন কারাবন্দিত্বে নষ্ট হয়েছে।
২০০২ সালের হামলায় ৩০ জনের বেশি নিহত হন। মামলার শুরুর দিকে পোটা আইনে দেওয়া সাজার মধ্যে কারও কারও মৃত্যুদণ্ডও ছিল, যা ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে। সেই সময় সর্বোচ্চ আদালত গুজরাট পুলিশের তদন্তকে ত্রুটিপূর্ণ বলে সমালোচনা করে এবং নির্দোষদের জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে।
সাম্প্রতিক এই খালাসের রায় সন্ত্রাস মামলাগুলোর তদন্তের মান, ন্যায়বিচারের বিলম্ব এবং নির্দোষদের পাশে দাঁড়ানো সংগঠনগুলোর ভূমিকা আবারও সামনে এনেছে।

আপনার মতামত লিখুন