বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে রাজনীতিকে পুঁজি করে তিনি বা তাঁর পরিবার কখনো ব্যক্তিগত সম্পদ গড়েননি, বরং পৈতৃক জমি বিক্রি করেই তিনি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতি পরিচালনা করে আসছেন। গতকাল রবিবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের বরুণাগাঁও মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এ কথা বলেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে জনগণের আমানত রক্ষা করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য এবং এর কোনো খেয়ানত তিনি করবেন না।
বক্তব্যের শুরুতেই মির্জা ফখরুল তাঁর রাজনৈতিক আদর্শের কথা তুলে ধরে বলেন যে তাঁর পরিবার ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত এবং তাঁরা কোনো অর্থবিত্তের লোভে নয়, বরং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের জন্য রাজনীতি করেন। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় তিনি নেতা-কর্মীদের কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতো কোনো নেতা-কর্মী যদি চাঁদাবাজি বা দুর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িত হয়, তবে দল তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বিএনপি কখনো দুর্নীতির পথে হাঁটবে না বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারের বিষয়ে সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন যে ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা অনুচিত। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি মন্তব্য করেন যে জামায়াতে ইসলামী অতীতে নির্বাচনে অংশ নিলেও তারা সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি মনে করেন, নির্বাচনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে হবে এবং তার জন্য কেবল স্লোগান নয়, বরং মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মন জয় করা জরুরি।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তার একটি রূপরেখাও এ সময় তিনি তুলে ধরেন। ফখরুল জানান যে বিএনপির সরকার গঠিত হলে কৃষকদের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে যাতে কোনো সংকট না থাকে। এছাড়া সাধারণ নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে রাজনীতিকে পুঁজি করে তিনি বা তাঁর পরিবার কখনো ব্যক্তিগত সম্পদ গড়েননি, বরং পৈতৃক জমি বিক্রি করেই তিনি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতি পরিচালনা করে আসছেন। গতকাল রবিবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের বরুণাগাঁও মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এ কথা বলেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে জনগণের আমানত রক্ষা করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য এবং এর কোনো খেয়ানত তিনি করবেন না।
বক্তব্যের শুরুতেই মির্জা ফখরুল তাঁর রাজনৈতিক আদর্শের কথা তুলে ধরে বলেন যে তাঁর পরিবার ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত এবং তাঁরা কোনো অর্থবিত্তের লোভে নয়, বরং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের জন্য রাজনীতি করেন। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় তিনি নেতা-কর্মীদের কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতো কোনো নেতা-কর্মী যদি চাঁদাবাজি বা দুর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িত হয়, তবে দল তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বিএনপি কখনো দুর্নীতির পথে হাঁটবে না বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারের বিষয়ে সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন যে ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা অনুচিত। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি মন্তব্য করেন যে জামায়াতে ইসলামী অতীতে নির্বাচনে অংশ নিলেও তারা সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি মনে করেন, নির্বাচনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে হবে এবং তার জন্য কেবল স্লোগান নয়, বরং মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মন জয় করা জরুরি।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তার একটি রূপরেখাও এ সময় তিনি তুলে ধরেন। ফখরুল জানান যে বিএনপির সরকার গঠিত হলে কৃষকদের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে যাতে কোনো সংকট না থাকে। এছাড়া সাধারণ নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন