আসন্ন আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ। ভারতের মাটিতে টুর্নামেন্টটিতে অংশগ্রহণে বিসিবির অস্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। ক্রীড়াজগতের এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার জন্টি রোডস মন্তব্য করেছেন যে, খেলাধুলা ও রাজনীতিকে আসলে সবসময় আলাদা রাখা সম্ভব হয় না।
শনিবার এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জন্টি রোডস বলেন, "আমরা সাধারণত মনে করি খেলাধুলা রাজনীতিমুক্ত থাকা উচিত। কিন্তু বাস্তব বড়ই কঠিন; দুঃখজনক হলেও সত্য যে খেলাধুলা ও রাজনীতিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করা প্রায় অসম্ভব।"
শনিবার সন্ধ্যায় আইসিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় এখন থেকে স্কটল্যান্ড প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ইতোমধ্যে আইসিসির দাপ্তরিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ফেসবুক পেজে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন ম্যাচ সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারতের মাটিতে ২০টি দলের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আইসিসি স্পষ্ট করেছে যে, বিসিবি ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাত দেখিয়ে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানালে আইসিসি তা নাকচ করে দেয়। সংস্থাটির মতে, স্বতন্ত্র নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরিচালিত মূল্যায়নে দেখা গেছে যে ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তা বা সমর্থকদের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিসিবির উদ্বেগ নিরসনে আইসিসি তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিবিড় আলোচনা চালিয়েছে। একাধিক বৈঠক ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ের নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং বিস্তারিত পরিকল্পনা বিসিবির সাথে শেয়ার করা হয়। গত বুধবার আইবিসি বোর্ডের বৈঠকের পর বিসিবিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় আইসিসি বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেয়।
যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়া দলগুলোর মধ্যে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকায় (১৪তম স্থান) স্কটল্যান্ডকে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে নামিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা নেপালের মতো দলগুলোকে পেছনে ফেলে বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিল স্কটিশরা। বাংলাদেশের মতো একটি শক্তিশালী দলের এমন প্রস্থানে বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ। ভারতের মাটিতে টুর্নামেন্টটিতে অংশগ্রহণে বিসিবির অস্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। ক্রীড়াজগতের এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার জন্টি রোডস মন্তব্য করেছেন যে, খেলাধুলা ও রাজনীতিকে আসলে সবসময় আলাদা রাখা সম্ভব হয় না।
শনিবার এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জন্টি রোডস বলেন, "আমরা সাধারণত মনে করি খেলাধুলা রাজনীতিমুক্ত থাকা উচিত। কিন্তু বাস্তব বড়ই কঠিন; দুঃখজনক হলেও সত্য যে খেলাধুলা ও রাজনীতিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করা প্রায় অসম্ভব।"
শনিবার সন্ধ্যায় আইসিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় এখন থেকে স্কটল্যান্ড প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ইতোমধ্যে আইসিসির দাপ্তরিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ফেসবুক পেজে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন ম্যাচ সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারতের মাটিতে ২০টি দলের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আইসিসি স্পষ্ট করেছে যে, বিসিবি ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাত দেখিয়ে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানালে আইসিসি তা নাকচ করে দেয়। সংস্থাটির মতে, স্বতন্ত্র নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরিচালিত মূল্যায়নে দেখা গেছে যে ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তা বা সমর্থকদের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিসিবির উদ্বেগ নিরসনে আইসিসি তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিবিড় আলোচনা চালিয়েছে। একাধিক বৈঠক ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ের নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং বিস্তারিত পরিকল্পনা বিসিবির সাথে শেয়ার করা হয়। গত বুধবার আইবিসি বোর্ডের বৈঠকের পর বিসিবিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় আইসিসি বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেয়।
যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়া দলগুলোর মধ্যে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকায় (১৪তম স্থান) স্কটল্যান্ডকে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে নামিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা নেপালের মতো দলগুলোকে পেছনে ফেলে বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিল স্কটিশরা। বাংলাদেশের মতো একটি শক্তিশালী দলের এমন প্রস্থানে বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন