বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দলটির ১১ জন শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় নেতাকে কারাগারের অভ্যন্তরে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করেছে। তিনি বলেন, মতিউর রহমান নিজামী থেকে শুরু করে পাঁচবারের সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সোবহান পর্যন্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হয়নি।
গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ১০ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান অত্যন্ত আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, “মাওলানা আব্দুস সোবহানকে জেলের ভেতর তিলে তিলে মেরে ফেলা হয়েছে। সেদিন চোখের পানিতে তাকে পাবনায় রেখে গিয়েছিলাম। শহীদ নেতারা যে আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বিদায় নিয়েছেন, আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছি।”
বিগত ১৫ বছরের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, জামায়াতের এক হাজারের বেশি কর্মীকে খুন এবং ৭০০ জনকে গুম করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় দলের কার্যালয় পর্যন্ত খুলতে দেওয়া হয়নি। এত জুলুমের পরেও সাড়ে তিন কোটি কর্মীর এই সংগঠন আল্লাহর রহমতে সুসংগঠিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “এদেশের মুক্তিকামী জনতার উত্থান দেখে কেউ কেউ ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। পরিষ্কার বলে দিতে চাই, আমরা যেমন আপনাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাই না, আপনারাও আমাদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না। অনেক নাক গলিয়েছেন, আর নয়।”
সমাজে চলমান অস্থিরতা ও দখলদারিত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর অনেকেই চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে মেতে উঠেছেন। জামায়াত এই রাজনীতির বিরুদ্ধে। আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করে দেব এবং তরুণদের জন্য হালাল রুজির ব্যবস্থা করব। দেশে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া রাখা হবে না।”
বক্তব্যের শেষে তিনি আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই হলো প্রকৃত আজাদী বা স্বাধীনতা। এই ভোট পরাজিত হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। ১০ দল মানেই এখন বাংলাদেশ, আমরা ইনসাফ কায়েম করতে চাই।”
পাবনার এই জনসভায় ১০ দলীয় জোটের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুরো পাবনা শহরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দলটির ১১ জন শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় নেতাকে কারাগারের অভ্যন্তরে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করেছে। তিনি বলেন, মতিউর রহমান নিজামী থেকে শুরু করে পাঁচবারের সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সোবহান পর্যন্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হয়নি।
গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ১০ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান অত্যন্ত আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, “মাওলানা আব্দুস সোবহানকে জেলের ভেতর তিলে তিলে মেরে ফেলা হয়েছে। সেদিন চোখের পানিতে তাকে পাবনায় রেখে গিয়েছিলাম। শহীদ নেতারা যে আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বিদায় নিয়েছেন, আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছি।”
বিগত ১৫ বছরের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, জামায়াতের এক হাজারের বেশি কর্মীকে খুন এবং ৭০০ জনকে গুম করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় দলের কার্যালয় পর্যন্ত খুলতে দেওয়া হয়নি। এত জুলুমের পরেও সাড়ে তিন কোটি কর্মীর এই সংগঠন আল্লাহর রহমতে সুসংগঠিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “এদেশের মুক্তিকামী জনতার উত্থান দেখে কেউ কেউ ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। পরিষ্কার বলে দিতে চাই, আমরা যেমন আপনাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাই না, আপনারাও আমাদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না। অনেক নাক গলিয়েছেন, আর নয়।”
সমাজে চলমান অস্থিরতা ও দখলদারিত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর অনেকেই চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে মেতে উঠেছেন। জামায়াত এই রাজনীতির বিরুদ্ধে। আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করে দেব এবং তরুণদের জন্য হালাল রুজির ব্যবস্থা করব। দেশে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া রাখা হবে না।”
বক্তব্যের শেষে তিনি আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই হলো প্রকৃত আজাদী বা স্বাধীনতা। এই ভোট পরাজিত হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। ১০ দল মানেই এখন বাংলাদেশ, আমরা ইনসাফ কায়েম করতে চাই।”
পাবনার এই জনসভায় ১০ দলীয় জোটের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুরো পাবনা শহরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়।

আপনার মতামত লিখুন