রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার কাজলা ব্রিজের কাছে ১০ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত এই সমাবেশে আজ সকাল থেকেই জনতার ঢল নামে। বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই সমাবেশস্থল ও এর চারপাশের এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এই উপস্থিতি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা-৫ আসনের জোট মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা অভিযোগ করেন যে, একটি বিশেষ মহল দেশে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।
সমাবেশে জোটের শরিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, “আমরা বাংলাদেশের মাটিতে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না। দেশের সিদ্ধান্ত এদেশের মানুষই নেবে।” এ সময় তারা ‘ভারতের দালাল ও চাঁদাবাজদের’ বর্জন করার আহ্বান জানান এবং আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন।
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হেলাল উদ্দিন, জামায়াত নেতা শাজাহান খান এবং এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লুতফুর রহমানসহ জোটের শীর্ষস্থানীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত এই অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে।
বেলা বাড়ার সাথে সাথে ডা. শফিকুর রহমান মঞ্চে উপস্থিত হলে উপস্থিত জনতা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলে। তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং ভোটের মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচনী এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ী ও বিশ্বরোড এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রবেশপথে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার কাজলা ব্রিজের কাছে ১০ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত এই সমাবেশে আজ সকাল থেকেই জনতার ঢল নামে। বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই সমাবেশস্থল ও এর চারপাশের এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এই উপস্থিতি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা-৫ আসনের জোট মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা অভিযোগ করেন যে, একটি বিশেষ মহল দেশে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।
সমাবেশে জোটের শরিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, “আমরা বাংলাদেশের মাটিতে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না। দেশের সিদ্ধান্ত এদেশের মানুষই নেবে।” এ সময় তারা ‘ভারতের দালাল ও চাঁদাবাজদের’ বর্জন করার আহ্বান জানান এবং আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন।
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হেলাল উদ্দিন, জামায়াত নেতা শাজাহান খান এবং এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লুতফুর রহমানসহ জোটের শীর্ষস্থানীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত এই অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে।
বেলা বাড়ার সাথে সাথে ডা. শফিকুর রহমান মঞ্চে উপস্থিত হলে উপস্থিত জনতা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলে। তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং ভোটের মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচনী এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ী ও বিশ্বরোড এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রবেশপথে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন