বিগত সরকারের দুঃশাসন থেকে মুক্ত হয়ে বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে পাবনায় বিশাল জনসভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।” তিনি বিগত ১৬ বছরে সংঘটিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও দুর্নীতির সুষ্ঠু বিচার দাবি করে বলেন, “প্রতিশোধ নয়, আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সকল অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণ প্রজন্মের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
দীর্ঘদিন পর পাবনায় জামায়াতের এই বড় ধরনের জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। জনসভাকে কেন্দ্র করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পাবনা জেলা জামায়াতের আমীর ও পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান ও এস এম সোহেল। সভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জামায়াত কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আগামী দিনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে ইনসাফের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।”
অন্যান্য বক্তারা বলেন, জামায়াতে ইসলামী সৎ, দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থীদের জাতির সামনে তুলে ধরেছে। তারা আগামী নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনসভা বিকেল থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
বিগত সরকারের দুঃশাসন থেকে মুক্ত হয়ে বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে পাবনায় বিশাল জনসভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।” তিনি বিগত ১৬ বছরে সংঘটিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও দুর্নীতির সুষ্ঠু বিচার দাবি করে বলেন, “প্রতিশোধ নয়, আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সকল অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণ প্রজন্মের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
দীর্ঘদিন পর পাবনায় জামায়াতের এই বড় ধরনের জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। জনসভাকে কেন্দ্র করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পাবনা জেলা জামায়াতের আমীর ও পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান ও এস এম সোহেল। সভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জামায়াত কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আগামী দিনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে ইনসাফের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।”
অন্যান্য বক্তারা বলেন, জামায়াতে ইসলামী সৎ, দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থীদের জাতির সামনে তুলে ধরেছে। তারা আগামী নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনসভা বিকেল থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন