ময়মনসিংহের ভালুকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ভালুকায় অবস্থিত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা-১৫৬) আসনের ‘হরিণ’ প্রতীকের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করেন, গত ২২ জানুয়ারি থেকে তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রতিপক্ষ প্রার্থীর অনুসারীরা সহিংস আচরণ করছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থকরা তাঁর প্রচারকাজে ব্যবহৃত মাইক ও অটোরিকশা চলাচলে বাধা দিচ্ছেন এবং সাধারণ কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।
মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, "নির্বাচনী ময়দানে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার পরিবর্তে প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমার প্রচারণা বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। রক্ত নিয়ে এ ধরনের তামাশা বন্ধ হওয়া উচিত।" তিনি অবিলম্বে পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধ করে এলাকায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
ভীতি ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় আমি মাঠে থাকব। কোনো ধরনের হুমকি বা বাধা আমাকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দূরে সরাতে পারবে না।"
সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন আহমেদ, নাসির উদ্দিন সরকার, সিরাজুল ইসলাম ঢালী, সারোয়ার জাহান এমরান ও রুহুল আমিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহের ভালুকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ভালুকায় অবস্থিত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা-১৫৬) আসনের ‘হরিণ’ প্রতীকের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করেন, গত ২২ জানুয়ারি থেকে তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রতিপক্ষ প্রার্থীর অনুসারীরা সহিংস আচরণ করছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থকরা তাঁর প্রচারকাজে ব্যবহৃত মাইক ও অটোরিকশা চলাচলে বাধা দিচ্ছেন এবং সাধারণ কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।
মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, "নির্বাচনী ময়দানে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার পরিবর্তে প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমার প্রচারণা বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। রক্ত নিয়ে এ ধরনের তামাশা বন্ধ হওয়া উচিত।" তিনি অবিলম্বে পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধ করে এলাকায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
ভীতি ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় আমি মাঠে থাকব। কোনো ধরনের হুমকি বা বাধা আমাকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দূরে সরাতে পারবে না।"
সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন আহমেদ, নাসির উদ্দিন সরকার, সিরাজুল ইসলাম ঢালী, সারোয়ার জাহান এমরান ও রুহুল আমিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন