বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। আগের রাতেই ভোট হয়ে যেত। এখন জনগণের সামনে নতুন করে ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শোলটহরি বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, হাসিনা আপা ভারতে চলে গেছেন। তিনি চলে গেছেন, এতে সমস্যা নেই। কিন্তু তিনি তার এলাকার কর্মী-সমর্থকদের বিপদের মুখে ফেলে গেছেন কেন—সেই প্রশ্ন রয়ে গেছে। তিনি জানান, বিএনপি অন্যায়ের বিরুদ্ধে থাকবে, তবে যারা অন্যায় করেননি, তাদের কোনোভাবেই শাস্তি পেতে দেওয়া হবে না। কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কোনোভাবে আতঙ্কিত হবেন না, বিএনপি আপনাদের পাশে আছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই ভাই। এই এলাকা থেকেই আমি একাধিকবার নির্বাচন করেছি। কখনো জিতেছি, কখনো হেরেছি। কিন্তু কখনো আপনাদের ছেড়ে যাইনি। বয়স ৭৮ হলেও মানসিকভাবে এখনো তরুণ আছি। সুযোগ পেলে এখনো অনেক কাজ করতে পারব এবং এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, মুসলমান ও হিন্দু ভাইবোনদের নিয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে বসবাস করি। আমাদের সমাজে হিন্দু-মুসলমান আলাদা নয়, সবাই একসঙ্গে চলাফেরা করে, একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এই সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখেই দেশের উন্নয়ন করতে হবে। তিনি বলেন, সবাইকে সমান নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
তিনি দাবি করেন, দেশের প্রকৃত উন্নয়ন কেবল বিএনপির হাত দিয়েই সম্ভব। ধানের শীষের মাধ্যমেই স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট ও হাসপাতাল গড়ে তোলা যাবে এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।
জামায়াত প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি নতুন দল আবার সামনে আসছে। অতীতে তারা ক্ষমতায় থেকেও সাধারণ মানুষের জন্য দৃশ্যমান কোনো কাজ করেনি। বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল হিসেবে আগেও দেশের উন্নয়ন করেছে, ভবিষ্যতেও আরও বড় পরিসরে উন্নয়ন করতে প্রস্তুত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। আগের রাতেই ভোট হয়ে যেত। এখন জনগণের সামনে নতুন করে ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শোলটহরি বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, হাসিনা আপা ভারতে চলে গেছেন। তিনি চলে গেছেন, এতে সমস্যা নেই। কিন্তু তিনি তার এলাকার কর্মী-সমর্থকদের বিপদের মুখে ফেলে গেছেন কেন—সেই প্রশ্ন রয়ে গেছে। তিনি জানান, বিএনপি অন্যায়ের বিরুদ্ধে থাকবে, তবে যারা অন্যায় করেননি, তাদের কোনোভাবেই শাস্তি পেতে দেওয়া হবে না। কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কোনোভাবে আতঙ্কিত হবেন না, বিএনপি আপনাদের পাশে আছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই ভাই। এই এলাকা থেকেই আমি একাধিকবার নির্বাচন করেছি। কখনো জিতেছি, কখনো হেরেছি। কিন্তু কখনো আপনাদের ছেড়ে যাইনি। বয়স ৭৮ হলেও মানসিকভাবে এখনো তরুণ আছি। সুযোগ পেলে এখনো অনেক কাজ করতে পারব এবং এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, মুসলমান ও হিন্দু ভাইবোনদের নিয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে বসবাস করি। আমাদের সমাজে হিন্দু-মুসলমান আলাদা নয়, সবাই একসঙ্গে চলাফেরা করে, একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এই সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখেই দেশের উন্নয়ন করতে হবে। তিনি বলেন, সবাইকে সমান নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
তিনি দাবি করেন, দেশের প্রকৃত উন্নয়ন কেবল বিএনপির হাত দিয়েই সম্ভব। ধানের শীষের মাধ্যমেই স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট ও হাসপাতাল গড়ে তোলা যাবে এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।
জামায়াত প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি নতুন দল আবার সামনে আসছে। অতীতে তারা ক্ষমতায় থেকেও সাধারণ মানুষের জন্য দৃশ্যমান কোনো কাজ করেনি। বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল হিসেবে আগেও দেশের উন্নয়ন করেছে, ভবিষ্যতেও আরও বড় পরিসরে উন্নয়ন করতে প্রস্তুত।

আপনার মতামত লিখুন